ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিদেশি বিনিয়োগে ১.৫ শতাংশ প্রণোদনার ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • / 159

বিদেশি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে নতুন এক আর্থিক সুবিধার কথা জানিয়েছেন সরকারপ্রধান। সংসদে আলোচনার সময় তিনি জানান, বিনিয়োগ আনার প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে বিশেষ প্রণোদনা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংসদে লিখিত প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান বলেন, যে কেউ—দেশের ভেতরের হোক বা বিদেশে থাকা প্রবাসী—যদি বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আনতে পারেন, তাহলে সেই বিনিয়োগের ওপর ১.৫ শতাংশ হারে কমিশন বা উৎসাহভাতা দেওয়া হবে। তার মতে, এতে করে বিনিয়োগ সংগ্রহে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ আরও সক্রিয় হবে।

তিনি বিশেষভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার ওপর জোর দেন। তাদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে বিদেশি বিনিয়োগ টানার ক্ষেত্রে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই উদ্যোগকে তিনি একটি বাস্তবমুখী কৌশল হিসেবেও উল্লেখ করেন।

আলোচনায় তিনি অতীত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, আগের সময়ের কিছু সিদ্ধান্তের প্রভাব এখনো অর্থনীতিতে দেখা যাচ্ছে, যা ধীরে ধীরে সামাল দিতে হচ্ছে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য মুনাফা নিজ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। এতে করে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে আস্থা কিছুটা বাড়বে বলে সরকারের ধারণা।

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিদেশি বিনিয়োগে ১.৫ শতাংশ প্রণোদনার ঘোষণা

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

বিদেশি অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব বাড়াতে নতুন এক আর্থিক সুবিধার কথা জানিয়েছেন সরকারপ্রধান। সংসদে আলোচনার সময় তিনি জানান, বিনিয়োগ আনার প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করতে বিশেষ প্রণোদনা চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সংসদে লিখিত প্রশ্নের জবাবে সরকারপ্রধান বলেন, যে কেউ—দেশের ভেতরের হোক বা বিদেশে থাকা প্রবাসী—যদি বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ আনতে পারেন, তাহলে সেই বিনিয়োগের ওপর ১.৫ শতাংশ হারে কমিশন বা উৎসাহভাতা দেওয়া হবে। তার মতে, এতে করে বিনিয়োগ সংগ্রহে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ আরও সক্রিয় হবে।

তিনি বিশেষভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভূমিকার ওপর জোর দেন। তাদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে বিদেশি বিনিয়োগ টানার ক্ষেত্রে তারা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন বলে তিনি মন্তব্য করেন। এই উদ্যোগকে তিনি একটি বাস্তবমুখী কৌশল হিসেবেও উল্লেখ করেন।

আলোচনায় তিনি অতীত অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন। তাঁর মতে, আগের সময়ের কিছু সিদ্ধান্তের প্রভাব এখনো অর্থনীতিতে দেখা যাচ্ছে, যা ধীরে ধীরে সামাল দিতে হচ্ছে।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য মুনাফা নিজ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়া আগের তুলনায় সহজ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। এতে করে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে আস্থা কিছুটা বাড়বে বলে সরকারের ধারণা।