ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বস্ত্র খাতের সংকট সমাধানে উচ্চপর্যায়ের কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / 6

দেশের বস্ত্র খাতের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্রুত সমস্যার সমাধানে কমিটিটি আগামী সপ্তাহ থেকেই কার্যক্রম শুরু করবে।

বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

তিনি বলেন, বস্ত্র খাতের অনেক সমস্যা দীর্ঘদিনের, যা অতীতের সরকারগুলো সমাধান করতে পারেনি। সরকারের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলেও পুরো সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রায় দেড় বছর সময় লাগতে পারে। তবে উদ্যোক্তারা সরকারকে সেই সময় দিতে প্রস্তুত।

শওকত আজিজ জানান, বৈঠকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি শিল্পের আর্থিক সংকট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে খাতটিতে ৫ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। নতুন গঠিত কমিটি আগামী সপ্তাহে আবার বৈঠকে বসবে।

তিনি আরও বলেন, বন্ধ ও অর্ধ-বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা গেলে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে এ জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে ডাম্পিংয়ের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বস্ত্র খাতের সংকট সমাধানে উচ্চপর্যায়ের কমিটি

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

দেশের বস্ত্র খাতের দীর্ঘদিনের সংকট নিরসনে অর্থ উপদেষ্টা ও বাণিজ্যমন্ত্রীর সমন্বয়ে উচ্চপর্যায়ের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্রুত সমস্যার সমাধানে কমিটিটি আগামী সপ্তাহ থেকেই কার্যক্রম শুরু করবে।

বুধবার (২২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিটিএমএ) সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল।

তিনি বলেন, বস্ত্র খাতের অনেক সমস্যা দীর্ঘদিনের, যা অতীতের সরকারগুলো সমাধান করতে পারেনি। সরকারের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলেও পুরো সংকট কাটিয়ে উঠতে প্রায় দেড় বছর সময় লাগতে পারে। তবে উদ্যোক্তারা সরকারকে সেই সময় দিতে প্রস্তুত।

শওকত আজিজ জানান, বৈঠকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি শিল্পের আর্থিক সংকট নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে খাতটিতে ৫ শতাংশ প্রণোদনা দিচ্ছে। নতুন গঠিত কমিটি আগামী সপ্তাহে আবার বৈঠকে বসবে।

তিনি আরও বলেন, বন্ধ ও অর্ধ-বন্ধ কারখানাগুলো পুনরায় চালু করা গেলে প্রায় ১৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। তবে এ জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে ডাম্পিংয়ের প্রভাব মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।