ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলডিসি উত্তরণে প্রস্তুতির সময় বাড়ানোর সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
  • / 5

ছবি সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও নেপালের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের আগে প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ।

বুধবার ইকোসকের বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেপালের পক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত প্রস্তুতিকাল প্রয়োজন। এতে এলডিসি-পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কার বাস্তবায়নে দুই দেশ আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারবে।

এর আগে কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশ ও নেপালের আবেদন পর্যালোচনা করে বিষয়টি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিবেচনার সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের ধারাবাহিকতায় ইকোসক আগামী ২৪ নভেম্বর ২০২৬-এর আগে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সাধারণ পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে ওই তারিখেই বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় নির্ধারিত রয়েছে।

সিদ্ধান্তের পর রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, সরকার টেকসইভাবে এলডিসি উত্তরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাধারণ পরিষদ প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুমোদন দিলে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও নীতিগত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলডিসি-পরবর্তী সময়ের প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এলডিসি উত্তরণে প্রস্তুতির সময় বাড়ানোর সুপারিশ

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ ও নেপালের স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণের আগে প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর বিষয়ে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকে সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক)। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে সাধারণ পরিষদ।

বুধবার ইকোসকের বৈঠকে সদস্য রাষ্ট্রগুলো সর্বসম্মতিক্রমে এ-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। বৈঠকে বাংলাদেশ ও নেপালের পক্ষে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তা ও যৌক্তিকতা তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, এলডিসি থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে অতিরিক্ত প্রস্তুতিকাল প্রয়োজন। এতে এলডিসি-পরবর্তী সময়ে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত সংস্কার বাস্তবায়নে দুই দেশ আরও ভালোভাবে প্রস্তুত হতে পারবে।

এর আগে কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসি (সিডিপি) বাংলাদেশ ও নেপালের আবেদন পর্যালোচনা করে বিষয়টি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বিবেচনার সুপারিশ করে। সেই সুপারিশের ধারাবাহিকতায় ইকোসক আগামী ২৪ নভেম্বর ২০২৬-এর আগে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে সাধারণ পরিষদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে ওই তারিখেই বাংলাদেশ ও নেপালের এলডিসি থেকে উত্তরণের সময় নির্ধারিত রয়েছে।

সিদ্ধান্তের পর রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, সরকার টেকসইভাবে এলডিসি উত্তরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সাধারণ পরিষদ প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর অনুমোদন দিলে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও নীতিগত পদক্ষেপ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এলডিসি-পরবর্তী সময়ের প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হবে।