পাসপোর্টে ফিরছে ইসরায়েল নিষেধাজ্ঞা ও আবু সাঈদ
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
- / 179
বাংলাদেশের সাধারণ পাসপোর্টে আবারো পুনর্বহাল হচ্ছে ‘এক্সেপ্ট ইসরায়েল’ (ইসরায়েল ব্যতীত) বাক্যটি। একই সাথে ই-পাসপোর্টের ভেতরের পৃষ্ঠার নকশা ও জলছাপে (ওয়াটারমার্ক) বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হচ্ছে। নতুন নকশায় যুক্ত হচ্ছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ আবু সাঈদের ছবিসহ জামদানি, ইলিশ ও নীলগিরির মতো জাতীয় ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানসমূহ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বাদ পড়া এই নিষেধাজ্ঞা দেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও ফিলিস্তিন ইস্যুর প্রতি জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে পুনস্থাপন করা হচ্ছে।
বহির্গমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের আন্তর্জাতিক ট্রাভেল ডকুমেন্টে জাতীয় আত্মপরিচয় এবং ভূ-রাজনীতির প্রতিফলন ঘটাতে এক বড় ধরণের সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেশের মানুষের আবেগ ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির ওপর ভিত্তি করে এই নতুন বুকলেটের খসড়া নকশা তৈরি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। মূলত পাসপোর্টে ফিরছে ইসরায়েল নিষেধাজ্ঞা ও আবু সাঈদ শিরোনামের এই উদ্যোগটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাসপোর্টের বৈশ্বিক আইনি অবস্থান সুদৃঢ় হবে। বিগত ২০২০ সালে কোনো ঘোষণা ছাড়াই তৎকালীন স্বৈরাচারী সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ অংশটি বাদ দিয়েছিল।
নতুন নির্দেশনায় পাসপোর্টের নিরাপত্তা জলছাপে দেশের ইতিহাস ও সংস্কৃতির উপাদানকে নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে। বর্তমানে পাসপোর্টে ফিরছে ইসরায়েল নিষেধাজ্ঞা ও আবু সাঈদ সংক্রান্ত সংস্কারের অংশ হিসেবে ভেতরের পাতাগুলোতে বঙ্গভবন, পানাম নগরী, টাঙ্গুয়ার হাওর এবং জিআই পণ্য জামদানির ছবি যুক্ত করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পূর্বের কক্সবাজারের নৌকার ওয়াটারমার্কটি পরিবর্তন করে আরও আধুনিক ও অর্থবহ করার কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
এই নতুন সংস্করণে পূর্ববর্তী রাজনৈতিক ঘরানার একাধিক স্থাপনা ও মেগা প্রজেক্টের ছবি স্থায়ীভাবে বাদ দেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পাসপোর্টে ফিরছে ইসরায়েল নিষেধাজ্ঞা ও আবু সাঈদ করার পাশাপাশি ধানমন্ডি ৩২ নম্বর, শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধি, পদ্মা সেতু এবং মেট্রোরেলের মতো পূর্বের ১০টি ছবি প্রত্যাহার করা হচ্ছে। পরিশেষে বলা যায়, গত বছরের ৭ এপ্রিল এই বিষয়ে আদেশ জারি হলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় সাধারণ পাসপোর্টে যা কার্যকর হয়নি, তা এবার শতভাগ দৃশ্যমান হতে যাচ্ছে।





























