রাজবাড়ী ও ফরিদপুরে পৃথক দুই দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ; জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি।
রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মশালা বাসস্ট্যান্ড থেকে এক নারীকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ এবং ফরিদপুরের ভাঙ্গায় এক গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। শুক্রবার (২ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে সংগঠনটি এ প্রতিক্রিয়া জানায়।
বিবৃতিতে বলা হয়, নির্যাতিত নারীর বাড়ি কুষ্টিয়ায়। গত ৩০ মার্চ সোমবার ব্যক্তিগত কাজে পাংশায় গিয়ে ফেরার সময় বাসস্ট্যান্ডে অপেক্ষারত অবস্থায় সাদা একটি মাইক্রোবাসে তাকে জোর করে তুলে নেয় হাসিবুর রহমান ওরফে আর, মা. বরকত মুন্সী ও রাশেদুজ্জামান রাশেদ। পরে কুলটিয়াসহ আশপাশের এলাকায় ঘোরানোর সময় পালাক্রমে গাড়ি চালিয়ে পেছনের সিটে তাকে ধর্ষণ করা হয়।
অন্যদিকে, ফরিদপুরের ভাঙ্গায় নাহিদ, সাদ্দাম, নাজমুল ও নূর আলম নামে অভিযুক্তরা এক গৃহবধূকে ফসলের মাঠে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এ সময় তার কাছ থেকে এক জোড়া সোনার দুল ও সাড়ে তিন হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও জানানো হয়।
সংগঠনটি উল্লেখ করে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নারী ও কন্যার ওপর ধর্ষণ ও দলবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা বাড়ছে—বিশেষ করে যাতায়াতের পথে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার মতো ঘটনা উদ্বেগজনক। এতে নারীর নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সড়ক ও গণপরিসরে নারীর নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।