ঢাকা ০৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬
  • / 181

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দীর্ঘ যানজট। আর ঈদে বেড়ে যায় দ্বিগুণ। দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোর এই মহাসড়ক। চারলেনের প্রশস্ত রাস্তা হলেও পরতে পরতে অবস্থাপনা মহাসড়কে। হঠাৎ গাড়ি নষ্ট হলে মুহূর্তেই দীর্ঘ জটলার সৃষ্টি হয়। সেইসঙ্গে ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে সেতুগুলোতে টোল আদায় ও অটোরিক্সা এবং সিএনজির দৌরাত্ম্য তো আছেই; যার ফলে মহাসড়কে হুটহাট দূরপাল্লার গাড়ির গতি কমাতে বাড়াতে হয়, ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। তাছাড়া এবার জ্বালানি সংকটে এবার যানজট আরও বাড়ার শঙ্কাও আছে।

সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়, সায়েদাবাদের মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার এবং নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড, শিমরাইল ও আদমজী সড়ক। অবৈধ পার্কিং, যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী তোলা, উল্টোপথে গাড়ি চালানোর মতো অসঙ্গতি ফলে বাড়ছে দুর্ভোগ।

ঈদ এলেই যানজট নিরসনে সড়কে নীতি নির্ধারকদের দৌঁড়ঝাপ বেড়ে যায়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, অতীতের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রা হবে অনেকটা নির্বিঘ্ন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এখানে যা যা পদক্ষেপ নেয়া দরকার, আমরা গত সাত দিন ধরে আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং, সংস্থাগুলোর মধ্যে মিটিং; দায়িত্বে যারা আছে, কে কী কাজ করবে ডিস্ট্রিবিউট করেছি। অর্থাৎ ঈদ উপলক্ষে একটা বিশেষ প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। আমি মনে করি, মানুষ একটা স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময় ঈদযাত্রা পেতে যাচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাড়সকের অবকাঠামোগত তেমন কোন ত্রুটি নেই। শুধুমাত্র অবস্থাপনার কারনেই বছরের পর বছর ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, এখানে যানবাহনের গতি আসলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেই জায়গাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, অনেকটা হটস্পট বলব-সেখানে দুইপাশে হাটবাজার। এ ছাড়া টোলপ্লাজার অক্ষমতার কারণেও যানবাহনের সাড়ি তৈরি হয়। সারা বছরের যানজটের মূল কারণ হলো অব্যবস্থাপনা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দীর্ঘ যানজট। আর ঈদে বেড়ে যায় দ্বিগুণ। দেশের সবচেয়ে ব্যস্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক করিডোর এই মহাসড়ক। চারলেনের প্রশস্ত রাস্তা হলেও পরতে পরতে অবস্থাপনা মহাসড়কে। হঠাৎ গাড়ি নষ্ট হলে মুহূর্তেই দীর্ঘ জটলার সৃষ্টি হয়। সেইসঙ্গে ম্যানুয়েল পদ্ধতিতে সেতুগুলোতে টোল আদায় ও অটোরিক্সা এবং সিএনজির দৌরাত্ম্য তো আছেই; যার ফলে মহাসড়কে হুটহাট দূরপাল্লার গাড়ির গতি কমাতে বাড়াতে হয়, ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা। তাছাড়া এবার জ্বালানি সংকটে এবার যানজট আরও বাড়ার শঙ্কাও আছে।

সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়, সায়েদাবাদের মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার এবং নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড, শিমরাইল ও আদমজী সড়ক। অবৈধ পার্কিং, যত্রতত্র বাস থামিয়ে যাত্রী তোলা, উল্টোপথে গাড়ি চালানোর মতো অসঙ্গতি ফলে বাড়ছে দুর্ভোগ।

ঈদ এলেই যানজট নিরসনে সড়কে নীতি নির্ধারকদের দৌঁড়ঝাপ বেড়ে যায়। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম জানান, অতীতের তুলনায় এবারের ঈদযাত্রা হবে অনেকটা নির্বিঘ্ন।

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এখানে যা যা পদক্ষেপ নেয়া দরকার, আমরা গত সাত দিন ধরে আন্তঃমন্ত্রণালয় মিটিং, সংস্থাগুলোর মধ্যে মিটিং; দায়িত্বে যারা আছে, কে কী কাজ করবে ডিস্ট্রিবিউট করেছি। অর্থাৎ ঈদ উপলক্ষে একটা বিশেষ প্রস্তুতি আমরা নিয়েছি। আমি মনে করি, মানুষ একটা স্বস্তিদায়ক ও আনন্দময় ঈদযাত্রা পেতে যাচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাড়সকের অবকাঠামোগত তেমন কোন ত্রুটি নেই। শুধুমাত্র অবস্থাপনার কারনেই বছরের পর বছর ভোগান্তিতে পড়তে হয় যাত্রীদের।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক মো. হাদিউজ্জামান বলেন, এখানে যানবাহনের গতি আসলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যেই জায়গাগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ, অনেকটা হটস্পট বলব-সেখানে দুইপাশে হাটবাজার। এ ছাড়া টোলপ্লাজার অক্ষমতার কারণেও যানবাহনের সাড়ি তৈরি হয়। সারা বছরের যানজটের মূল কারণ হলো অব্যবস্থাপনা।