ঢাকা ০৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এমবাপ্পের জোড়া গোলে শেষ ষোলোতে ফ্রান্স

স্পোর্টস ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬
  • / 6

ছবি: বাসস

কিলিয়ান এমবাপ্পের দুর্দান্ত জোড়া গোল এবং ব্র্যাডলি বারকোলার একটি গোলে সুইডেনকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মাইকেল ওলিসে দুটি অ্যাসিস্ট করে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শেষ ষোলোতে ফরাসিদের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে।

প্রায় ৮০ হাজার ৬৬৩ দর্শকের উপস্থিতিতে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ফ্রান্স। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও ভাগ্যের কারণে এগিয়ে যেতে পারেনি দলটি। এমবাপ্পে ও ওলিসের দুটি প্রচেষ্টা পোস্টে লেগে ফিরে আসে। তবে বিরতির ঠিক আগে গোলের দেখা পান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। কর্নার থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে ওসমান ডেম্বেলে ও ওলিসের সমন্বয়ে বল পেয়ে নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেন এমবাপ্পে।

বিরতির পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় সুইডেন। কিন্তু ৫৩ মিনিটে ওলিসের পাস থেকে ব্র্যাডলি বারকোলা ব্যবধান ২-০ করেন। এরপর ৭৪ মিনিটে আবারও ওলিসের অ্যাসিস্টে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করেন এমবাপ্পে। এতে সহজ জয় নিয়েই নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় ফ্রান্স।

এই দুই গোলের সুবাদে চলতি বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়ে। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি স্পর্শ করেছেন লিওনেল মেসির ছয় গোলের রেকর্ড। বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে ফরাসি অধিনায়কের গোল এখন ১৮টি, যা মেসির ১৯ গোলের রেকর্ড থেকে মাত্র একটি কম।

ফ্রান্সের আক্রমণভাগে এমবাপ্পের সঙ্গে ছিলেন ওসমান ডেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও ডিজায়ার দুয়ে। অন্যদিকে সুইডেন ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক ও অ্যান্থনি এলাঙ্গাকে নিয়ে আক্রমণ সাজালেও পুরো ম্যাচে তেমন কোনো কার্যকর সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

এদিকে ব্যক্তিগত শোক কাটিয়ে আবারও দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম। মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি আগের ম্যাচে ডাগআউটে ছিলেন না। এরই মধ্যে বিশ্বকাপ শেষে জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ও ২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী কোচ দেশম।

শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপেও এই দক্ষিণ আমেরিকান দলকে হারিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স। এবারও একই প্রতিপক্ষকে সামনে রেখে আত্মবিশ্বাসী লে ব্লুরা। আগামী শনিবার ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে দুই দলের লড়াই।

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এমবাপ্পের জোড়া গোলে শেষ ষোলোতে ফ্রান্স

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৬:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জুলাই ২০২৬

কিলিয়ান এমবাপ্পের দুর্দান্ত জোড়া গোল এবং ব্র্যাডলি বারকোলার একটি গোলে সুইডেনকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে মাইকেল ওলিসে দুটি অ্যাসিস্ট করে জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শেষ ষোলোতে ফরাসিদের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে।

প্রায় ৮০ হাজার ৬৬৩ দর্শকের উপস্থিতিতে শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় ফ্রান্স। প্রথমার্ধে একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও ভাগ্যের কারণে এগিয়ে যেতে পারেনি দলটি। এমবাপ্পে ও ওলিসের দুটি প্রচেষ্টা পোস্টে লেগে ফিরে আসে। তবে বিরতির ঠিক আগে গোলের দেখা পান রিয়াল মাদ্রিদ তারকা। কর্নার থেকে তৈরি হওয়া আক্রমণে ওসমান ডেম্বেলে ও ওলিসের সমন্বয়ে বল পেয়ে নিখুঁত শটে জাল খুঁজে নেন এমবাপ্পে।

বিরতির পর সমতায় ফেরার চেষ্টা চালায় সুইডেন। কিন্তু ৫৩ মিনিটে ওলিসের পাস থেকে ব্র্যাডলি বারকোলা ব্যবধান ২-০ করেন। এরপর ৭৪ মিনিটে আবারও ওলিসের অ্যাসিস্টে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোল করেন এমবাপ্পে। এতে সহজ জয় নিয়েই নকআউট পর্বে জায়গা করে নেয় ফ্রান্স।

এই দুই গোলের সুবাদে চলতি বিশ্বকাপে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ছয়ে। গোল্ডেন বুটের লড়াইয়ে তিনি স্পর্শ করেছেন লিওনেল মেসির ছয় গোলের রেকর্ড। বিশ্বকাপে সব মিলিয়ে ফরাসি অধিনায়কের গোল এখন ১৮টি, যা মেসির ১৯ গোলের রেকর্ড থেকে মাত্র একটি কম।

ফ্রান্সের আক্রমণভাগে এমবাপ্পের সঙ্গে ছিলেন ওসমান ডেম্বেলে, ব্র্যাডলি বারকোলা ও ডিজায়ার দুয়ে। অন্যদিকে সুইডেন ভিক্টর গিয়োকেরেস, আলেকজান্ডার ইসাক ও অ্যান্থনি এলাঙ্গাকে নিয়ে আক্রমণ সাজালেও পুরো ম্যাচে তেমন কোনো কার্যকর সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।

এদিকে ব্যক্তিগত শোক কাটিয়ে আবারও দলের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশম। মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি আগের ম্যাচে ডাগআউটে ছিলেন না। এরই মধ্যে বিশ্বকাপ শেষে জাতীয় দলের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ও ২০১৮ সালের বিশ্বকাপজয়ী কোচ দেশম।

শেষ ষোলোতে ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ প্যারাগুয়ে। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপেও এই দক্ষিণ আমেরিকান দলকে হারিয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছিল ফ্রান্স। এবারও একই প্রতিপক্ষকে সামনে রেখে আত্মবিশ্বাসী লে ব্লুরা। আগামী শনিবার ফিলাডেলফিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে দুই দলের লড়াই।