ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 13

উজানের ঢল ও ভারি বৃষ্টিতে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা

আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ভারতের উজান এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর প্রভাবে সিলেট, সুনামগঞ্জ, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা এবং জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

এদিকে আগামী দুই দিনে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানিও কয়েকটি স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে ধরলা নদীর পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে, যা লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের কিছু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি ক্রমান্বয়ে বাড়তে পারে। এতে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়ার নদীতীরবর্তী এলাকায় পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি আগামী দুই দিন স্থিতিশীল থাকলেও পরবর্তী তিন দিনে বাড়তে পারে।

সোমেশ্বরী, কংস ও ভুগাই নদীর পানিও দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নেত্রকোণার কিছু স্থানে সোমেশ্বরী নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। পাশাপাশি ভুগাই ও কংস নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছালে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং সংলগ্ন ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আগামী দুই দিনে এসব অঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

উজানের ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে নতুন করে বন্যার আশঙ্কা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

আগামী ৪৮ ঘণ্টায় দেশের উত্তর, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং ভারতের উজান এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এর প্রভাবে সিলেট, সুনামগঞ্জ, রংপুর, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, নেত্রকোণা, শেরপুর ও ময়মনসিংহের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা এবং জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমানে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে কুশিয়ারা নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ৭২ ঘণ্টায় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। এতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকায় স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে।

এদিকে আগামী দুই দিনে তিস্তা ও দুধকুমার নদীর পানিও কয়েকটি স্থানে বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সময়ে ধরলা নদীর পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে, যা লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামের কিছু এলাকায় সাময়িক জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস কেন্দ্র আরও জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিনে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর পানি ক্রমান্বয়ে বাড়তে পারে। এতে কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, জামালপুর ও বগুড়ার নদীতীরবর্তী এলাকায় পানি সতর্কসীমার কাছাকাছি পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে গঙ্গা-পদ্মা নদীর পানি আগামী দুই দিন স্থিতিশীল থাকলেও পরবর্তী তিন দিনে বাড়তে পারে।

সোমেশ্বরী, কংস ও ভুগাই নদীর পানিও দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে নেত্রকোণার কিছু স্থানে সোমেশ্বরী নদী বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। পাশাপাশি ভুগাই ও কংস নদীর পানি সতর্কসীমায় পৌঁছালে শেরপুর, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।

বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল এবং সংলগ্ন ভারতের উজানে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে আগামী দুই দিনে এসব অঞ্চলের নদ-নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।