ঢাকা ০৭:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০১ অগাস্ট ২০২৬, ১৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঈদের পরেই শুরু হবে রামিসা হত্যা মামলার বিচার: আইনমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • / 83

আইনমন্ত্রী

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পরপরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। আজ শনিবার (২৩ মে) বিশেষ সংবাদদাতা মাসউদুর রহমান রানার পাঠানো এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডিএনএ (DNA) রিপোর্ট হাতে পাওয়া গেলে ঈদের ছুটির আগেই আদালতে এই মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট বা অভিযোগপত্র দাখিল করবে পুলিশ।

দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোড়ন সৃষ্টি করা পল্লবীর অবুজ শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুততম বিচার নিশ্চিতে এবার বড় ধরণের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এড়িয়ে এই মামলার রায় যেন দ্রুত দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে আইন মন্ত্রণালয়। মূলত ঈদের পরেই রামিসা হত্যা মামলার বিচার শিরোনামের এই প্রশাসনিক ঘোষণাটি ভুক্তভোগী পরিবারসহ সারা দেশের বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের মনে আশার আলো জাগিয়েছে। বিচারিক কাজকে শতভাগ নিখুঁত করতে কোনো ধরণের তাড়াহুড়ো না করে সমস্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আইনমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, ডিএনএ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ছাড়া আদালতে তড়িঘড়ি করে অভিযোগপত্র জমা দিলে পরবর্তীতে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। বর্তমানে ঈদের পরেই রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু হওয়ার ডামাডোলে ল্যাবরেটরি থেকে আগামী তিন দিনের মধ্যে ওই মেডিকেল রিপোর্টটি আসার কথা রয়েছে। বৈজ্ঞানিক এই প্রমাণ হাতে পাওয়ার পরপরই তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিক চার্জশিট জমা দেবেন এবং সব ঠিক থাকলে ঈদের আগের ছুটির দিনগুলোর মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

উচ্চ আদালতে এই ধরণের স্পর্শকাতর ও চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) ক্ষেত্রে যে সময়ক্ষেপণ হয়, তা নিয়েও কথা বলেছেন মন্ত্রী। বর্তমানে ঈদের পরেই রামিসা হত্যা মামলার বিচার প্রসঙ্গের পাশাপাশি নিম্ন আদালতের রায় হাইকোর্টে আসার পর পেপার বুক বা মামলার বৃত্তান্ত তৈরিতে দীর্ঘসূত্রতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। পরিশেষে বলা যায়, এই আইনি পেপার বুক তৈরির প্রক্রিয়াটিকে কীভাবে আরও সহজ ও প্রযুক্তিবান্ধব করে দ্রুততম সময়ে রায় কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে সরকার এখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ঈদের পরেই শুরু হবে রামিসা হত্যা মামলার বিচার: আইনমন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪৫:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটির পরপরই শুরু হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী। আজ শনিবার (২৩ মে) বিশেষ সংবাদদাতা মাসউদুর রহমান রানার পাঠানো এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ডিএনএ (DNA) রিপোর্ট হাতে পাওয়া গেলে ঈদের ছুটির আগেই আদালতে এই মামলার চূড়ান্ত চার্জশিট বা অভিযোগপত্র দাখিল করবে পুলিশ।

দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভ ও আলোড়ন সৃষ্টি করা পল্লবীর অবুজ শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুততম বিচার নিশ্চিতে এবার বড় ধরণের পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। আইনি প্রক্রিয়ার দীর্ঘসূত্রতা এড়িয়ে এই মামলার রায় যেন দ্রুত দেওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে কাজ করছে আইন মন্ত্রণালয়। মূলত ঈদের পরেই রামিসা হত্যা মামলার বিচার শিরোনামের এই প্রশাসনিক ঘোষণাটি ভুক্তভোগী পরিবারসহ সারা দেশের বিচারপ্রার্থী সাধারণ মানুষের মনে আশার আলো জাগিয়েছে। বিচারিক কাজকে শতভাগ নিখুঁত করতে কোনো ধরণের তাড়াহুড়ো না করে সমস্ত বৈজ্ঞানিক তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করা হচ্ছে।

আইনমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, ডিএনএ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল ছাড়া আদালতে তড়িঘড়ি করে অভিযোগপত্র জমা দিলে পরবর্তীতে বিচার প্রক্রিয়া প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। বর্তমানে ঈদের পরেই রামিসা হত্যা মামলার বিচার শুরু হওয়ার ডামাডোলে ল্যাবরেটরি থেকে আগামী তিন দিনের মধ্যে ওই মেডিকেল রিপোর্টটি আসার কথা রয়েছে। বৈজ্ঞানিক এই প্রমাণ হাতে পাওয়ার পরপরই তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিক চার্জশিট জমা দেবেন এবং সব ঠিক থাকলে ঈদের আগের ছুটির দিনগুলোর মধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

উচ্চ আদালতে এই ধরণের স্পর্শকাতর ও চাঞ্চল্যকর মামলার আসামিদের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) ক্ষেত্রে যে সময়ক্ষেপণ হয়, তা নিয়েও কথা বলেছেন মন্ত্রী। বর্তমানে ঈদের পরেই রামিসা হত্যা মামলার বিচার প্রসঙ্গের পাশাপাশি নিম্ন আদালতের রায় হাইকোর্টে আসার পর পেপার বুক বা মামলার বৃত্তান্ত তৈরিতে দীর্ঘসূত্রতার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন। পরিশেষে বলা যায়, এই আইনি পেপার বুক তৈরির প্রক্রিয়াটিকে কীভাবে আরও সহজ ও প্রযুক্তিবান্ধব করে দ্রুততম সময়ে রায় কার্যকর করা যায়, তা নিয়ে সরকার এখন সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে।