ঢাকা ১২:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলে হামলার কারণ জানাল আইআরজিসি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • / 70

ইসরায়েলে হামলার কারণ জানাল আইআরজিসি

ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে চালানো সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে আরও বড় ও ব্যাপক জবাবের আগের একটি ‘সতর্কবার্তা’ বলে আখ্যা দিয়েছে ইরানের শক্তিধর সামরিক শাখা ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ইসরায়েলি পক্ষ থেকে যদি এই ধরনের আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবে ইসরায়েল এবং এই অঞ্চলে তাদের মদদপুষ্ট সমর্থকদের বিরুদ্ধে এর চেয়েও বহু গুণ বড় ও বিধ্বংসী প্রতিরোধ গড়ে তুলবে ইরান।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় আইআরজিসির মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি সরাসরি দাবি করেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে অবিলম্বে দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোতে তাদের সব ধরনের বোমাবর্ষণ ও সামরিক অভিযান পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।

আইআরজিসির মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, “পূর্ববর্তী যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি বারবার লঙ্ঘন করে জায়নবাদী আগ্রাসী শাসনব্যবস্থা (ইসরায়েল) তাদের অপরাধী সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সবুজ সংকেত ও অন্ধ সমর্থনে লেবাননের নিপীড়িত ও সাধারণ জনগণের ওপর দিন দিন নৃশংসতা বাড়িয়েই চলেছে”।

তিনি তেল আবিবকে আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, জায়নবাদী সেনাবাহিনীকে অবিলম্বে দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের উপশহরগুলোতে তাদের চলমান অন্যায় হামলা বন্ধ করতে হবে।

ইরানের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই সতর্কবার্তার পরেও ইসরায়েল যদি ওই অঞ্চলে তাদের হামলার পরিধি আরও বিস্তৃত করার দুঃসাহস দেখায় কিংবা ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র পদক্ষেপের কোনো পাল্টা জবাব দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাদের এমন এক কঠোর ও অনুশোচনামূলক আঘাতের মুখোমুখি হতে হবে যা তারা কল্পনাও করতে পারছে না।

মুখপাত্র জোলফাকারি তাঁর বিবৃতির শেষে জোর দিয়ে বলেন, তেমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ওই আগ্রাসী শাসনব্যবস্থা এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত তাদের সমস্ত মিত্র ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে একযোগে ইরানের চূড়ান্ত ধ্বংসাত্মক সামরিক হামলা শুরু হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইসরায়েলে হামলার কারণ জানাল আইআরজিসি

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

ইসরায়েলের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে চালানো সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে আরও বড় ও ব্যাপক জবাবের আগের একটি ‘সতর্কবার্তা’ বলে আখ্যা দিয়েছে ইরানের শক্তিধর সামরিক শাখা ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। তারা স্পষ্ট করে জানিয়েছে, ইসরায়েলি পক্ষ থেকে যদি এই ধরনের আগ্রাসনের পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবে ইসরায়েল এবং এই অঞ্চলে তাদের মদদপুষ্ট সমর্থকদের বিরুদ্ধে এর চেয়েও বহু গুণ বড় ও বিধ্বংসী প্রতিরোধ গড়ে তুলবে ইরান।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিশেষ ভিডিও বার্তায় আইআরজিসির মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। তিনি সরাসরি দাবি করেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীকে অবিলম্বে দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোতে তাদের সব ধরনের বোমাবর্ষণ ও সামরিক অভিযান পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।

আইআরজিসির মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, “পূর্ববর্তী যুদ্ধবিরতির শর্তাবলি বারবার লঙ্ঘন করে জায়নবাদী আগ্রাসী শাসনব্যবস্থা (ইসরায়েল) তাদের অপরাধী সহযোগী যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সবুজ সংকেত ও অন্ধ সমর্থনে লেবাননের নিপীড়িত ও সাধারণ জনগণের ওপর দিন দিন নৃশংসতা বাড়িয়েই চলেছে”।

তিনি তেল আবিবকে আলটিমেটাম দিয়ে বলেন, জায়নবাদী সেনাবাহিনীকে অবিলম্বে দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের উপশহরগুলোতে তাদের চলমান অন্যায় হামলা বন্ধ করতে হবে।

ইরানের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই সতর্কবার্তার পরেও ইসরায়েল যদি ওই অঞ্চলে তাদের হামলার পরিধি আরও বিস্তৃত করার দুঃসাহস দেখায় কিংবা ইরানের এই ক্ষেপণাস্ত্র পদক্ষেপের কোনো পাল্টা জবাব দেওয়ার চেষ্টা করে, তবে তাদের এমন এক কঠোর ও অনুশোচনামূলক আঘাতের মুখোমুখি হতে হবে যা তারা কল্পনাও করতে পারছে না।

মুখপাত্র জোলফাকারি তাঁর বিবৃতির শেষে জোর দিয়ে বলেন, তেমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ওই আগ্রাসী শাসনব্যবস্থা এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত তাদের সমস্ত মিত্র ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে একযোগে ইরানের চূড়ান্ত ধ্বংসাত্মক সামরিক হামলা শুরু হবে।