ঢাকা ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইসরাইল বাদ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 84

ইরান ও ইসরাইলের জাতীয় পতাকা

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ইসরায়েলের রাজনীতিতে উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। আলোচনায় কোনো অংশগ্রহণ না করায় দেশটির প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আলাদাভাবে এই সমঝোতা নিশ্চিত করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া বিবৃতিতে লাপিদ বলেন, “ইসরায়েল যখনই জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের দিকে তাকাচ্ছিল, আন্তর্জাতিক আলোচনার টেবিলে আমাদের কোনো উপস্থিতি ছিল না। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিপর্যয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “নেতানিয়াহু নিজের নির্ধারিত যুদ্ধের লক্ষ্য একটিও পূরণ করতে পারেননি। সরকারের অহংকার ও পরিকল্পনার অভাবে যে রাজনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে ইসরায়েলকে অনেক বছর সময় লাগবে।” লাপিদ প্রতিরক্ষা বাহিনী ও সাধারণ মানুষকে ধৈর্যশীল ও দায়িত্বনিষ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেন, কিন্তু বর্তমান নেতৃত্বকে ব্যর্থ হিসেবে আখ্যা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ট্রাম্পের ঘোষণার প্রায় চার ঘণ্টা পর ইংরেজিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে, তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে কেবল ইরান অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি খোলার এবং এই অঞ্চলে হামলা বন্ধ করার শর্তে।

ইসরায়েল আরও জানিয়েছে, তারা মার্কিন প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যাতে ইরান আর কখনো পারমাণবিক বা সন্ত্রাসী হুমকি হিসেবে দেখা না দেয়। তবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনায় লেবানন বিষয়ক কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় স্পষ্ট করেছে, এই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লেবানন সীমান্ত বা হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে কার্যকর হবে না।

লাপিদের তীব্র সমালোচনা এবং নেতানিয়াহুর সংক্ষিপ্ত ইংরেজি বিবৃতি দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও গভীর করছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি আলোচনায় ইসরাইল বাদ

সর্বশেষ আপডেট ০৫:২৫:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর ইসরায়েলের রাজনীতিতে উত্তাপ সৃষ্টি হয়েছে। আলোচনায় কোনো অংশগ্রহণ না করায় দেশটির প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেছেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আলাদাভাবে এই সমঝোতা নিশ্চিত করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া বিবৃতিতে লাপিদ বলেন, “ইসরায়েল যখনই জাতীয় নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের দিকে তাকাচ্ছিল, আন্তর্জাতিক আলোচনার টেবিলে আমাদের কোনো উপস্থিতি ছিল না। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিপর্যয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, “নেতানিয়াহু নিজের নির্ধারিত যুদ্ধের লক্ষ্য একটিও পূরণ করতে পারেননি। সরকারের অহংকার ও পরিকল্পনার অভাবে যে রাজনৈতিক ও কৌশলগত ক্ষতি হয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে ইসরায়েলকে অনেক বছর সময় লাগবে।” লাপিদ প্রতিরক্ষা বাহিনী ও সাধারণ মানুষকে ধৈর্যশীল ও দায়িত্বনিষ্ঠ হিসেবে উল্লেখ করেন, কিন্তু বর্তমান নেতৃত্বকে ব্যর্থ হিসেবে আখ্যা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ট্রাম্পের ঘোষণার প্রায় চার ঘণ্টা পর ইংরেজিতে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে। এতে দুই সপ্তাহের জন্য ইরানে হামলা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানানো হয়েছে, তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে কেবল ইরান অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালি খোলার এবং এই অঞ্চলে হামলা বন্ধ করার শর্তে।

ইসরায়েল আরও জানিয়েছে, তারা মার্কিন প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে যাতে ইরান আর কখনো পারমাণবিক বা সন্ত্রাসী হুমকি হিসেবে দেখা না দেয়। তবে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনায় লেবানন বিষয়ক কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় স্পষ্ট করেছে, এই দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি লেবানন সীমান্ত বা হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে কার্যকর হবে না।

লাপিদের তীব্র সমালোচনা এবং নেতানিয়াহুর সংক্ষিপ্ত ইংরেজি বিবৃতি দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও গভীর করছে।