ঢাকা ০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আহত সেই জামায়াত নেতার মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, চুয়াডাঙ্গা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • / 165

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টায় ঢাকার কাকরাইলের অরোরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জীবননগর পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার। তিনি বলেন, ‘গতকাল থেকে মাওলানা মফিজুর রহমান ভাইয়ের অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। আজ দুপুর ১২টায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন।’

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের জামায়াত-সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীর বিরোধ চলছিল। বিরোধ মীমাংসার জন্য গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বৈঠকে বসার কথা ছিল। তবে সন্ধ্যার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মফিজুর রহমান, তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান, খায়রুল ইসলাম এবং সোহাগ আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় মফিজুর রহমান ও হাফিজুর রহমানকে প্রথমে যশোর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে পরে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এর মধ্যে ওই দিন রাত ২টার দিকে হাফিজুর রহমান মারা যান। পরে আজ ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মফিজুর রহমানও মারা গেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আহত সেই জামায়াত নেতার মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০৩:২৮:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষে আহত বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির হাফেজ মাওলানা মফিজুর রহমান মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) দুপুর ১২টায় ঢাকার কাকরাইলের অরোরা স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জীবননগর পৌর যুব জামায়াতের সভাপতি আরিফুল ইসলাম জোয়ার্দার। তিনি বলেন, ‘গতকাল থেকে মাওলানা মফিজুর রহমান ভাইয়ের অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। আজ দুপুর ১২টায় তিনি ইন্তেকাল করেছেন।’

জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামের জামায়াত-সমর্থক কেরামত আলীর ছেলে সোহাগের সঙ্গে হাসাদাহ ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা জসিম উদ্দীনের ছেলে মেহেদীর বিরোধ চলছিল। বিরোধ মীমাংসার জন্য গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাতে হাসাদাহ বাজারে দুই পক্ষের বৈঠকে বসার কথা ছিল। তবে সন্ধ্যার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষে বাঁকা ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মফিজুর রহমান, তার বড় ভাই হাফিজুর রহমান, খায়রুল ইসলাম এবং সোহাগ আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় মফিজুর রহমান ও হাফিজুর রহমানকে প্রথমে যশোর হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে পরে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। এর মধ্যে ওই দিন রাত ২টার দিকে হাফিজুর রহমান মারা যান। পরে আজ ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মফিজুর রহমানও মারা গেছেন।