আইসিসির শাস্তির মুখে বাংলাদেশের দুই নারী ক্রিকেটার
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:১২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
- / 93
আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে বাংলাদেশের দুই নারী ক্রিকেটার নাহিদা আক্তার ও শারমিন সুলতানাকে জরিমানা করেছে আইসিসি। মূলত শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে তারা এই অপরাধ করেন। আইসিসির আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাদের প্রত্যেকের ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া তাদের ডিসিপ্লিনারি রেকর্ডে একটি করে ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ করা হয়েছে। বর্তমানে এই আইসিসির শাস্তি খেলার মাঠে বাড়তি আবেগের পরিণতির কথা মনে করিয়ে দেয়।
বুধবার (২৫ এপ্রিল) রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের দায়ে বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটারের ওপর আইসিসির শাস্তি কার্যকর হয়েছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডেতে এই ঘটনা ঘটে। আইসিসির বিবৃতিতে বলা হয়, নাহিদা আক্তার আচরণবিধির ২.৫ ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তিনি আউট হওয়া ব্যাটারকে উসকানিমূলক ইঙ্গিত দিয়ে মাঠ ছাড়তে বলেছিলেন। ফলে তাকে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে।
একদিকে নাহিদা আক্তার ধারা ভঙ্গ করেন, অন্যদিকে শারমিন সুলতানা আচরণবিধির ২.৮ ধারা লঙ্ঘন করেন। আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে অসন্তোষ প্রকাশ করে তিনি ব্যাট দেখান এবং দেরিতে মাঠ ছাড়েন। মূলত আম্পায়ারের সিদ্ধান্তের প্রতি অসম্মান প্রদর্শনের কারণেই এই আইসিসির শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানি দাসের প্রস্তাবিত জরিমানা খেলোয়াড়রা মেনে নিয়েছেন।
এই ম্যাচে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে পরাজিত হয়েছে এবং সিরিজ বর্তমানে সমতায় রয়েছে। উভয় ক্রিকেটারই নিজেদের দোষ স্বীকার করেছেন। ফলে কোনো আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন হয়নি। গত ২৪ মাসে এটিই তাদের প্রথম অপরাধ। মূলত খেলার মাঠে বাড়তি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় তারা আইসিসির শাস্তি পেয়েছেন। আশা করা যাচ্ছে, ভবিষ্যতে তারা আরও সতর্ক থাকবেন।
ক্রিকেট মাঠে পেশাদারিত্ব বজায় রাখা প্রতিটি খেলোয়াড়ের প্রধান দায়িত্ব। নিয়ম ভাঙলে শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে, এটাই আইসিসির বার্তা। এছাড়া মাঠে শৃঙ্খলা বজায় রাখা দলগত সাফল্যের জন্য জরুরি। অবশেষে বলা যায়, আইসিসির শাস্তি থেকে শিক্ষা নিয়ে তারা তাদের খেলার মান ও আচরণে উন্নতি করবেন। এছাড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটবে না বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।




































