গণমাধ্যম শক্ত হলে টিকবে গণতন্ত্র: ফখরুল
- সর্বশেষ আপডেট ০১:৩৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ অগাস্ট ২০২৬
- / 12
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, শক্তিশালী ও স্বাধীন গণমাধ্যম একটি টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম শর্ত।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে টিভি এডিটরস কাউন্সিল আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন। মানুষের চিন্তা, মতপ্রকাশ ও জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্রে গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত না হলে প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলা যায় না।
তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই কেউ কেউ রাজপথে নেমে সরকারকে ব্যর্থ আখ্যা দিয়ে পাঁচ বছর পূর্ণ করতে না দেওয়ার কথা বলছেন। তার ভাষায়, এ ধরনের বক্তব্য গণতান্ত্রিক নয়, বরং ফ্যাসিবাদী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।
আওয়ামী লীগের সমালোচনা করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, দলটি মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে তার উল্টো চর্চা করেছে। তার অভিযোগ, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রের কথা বললেও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দিয়েছেন।
টেকসই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সময়সাপেক্ষ উল্লেখ করে তিনি বলেন, পশ্চিমা দেশগুলোতে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুসংহত হতে শত শত বছর লেগেছে। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও ধৈর্য ও ধারাবাহিক গণতান্ত্রিক চর্চা প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন, দেশে এমন একটি গণমাধ্যম গড়ে উঠুক, যেখানে অবাধ আলোচনা ও সমালোচনার সুযোগ থাকবে। তবে টকশোর আলোচনায় অনেক সময় এমন চিত্র তুলে ধরা হয়, যেন সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ এবং দেশ ধ্বংসের মুখে। তার মতে, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমই গণতন্ত্রকে আরও টেকসই করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।






























