ঢাকা ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালদ্বীপ দ্বীপে প্রবাসীদের দোরগোড়ায় ই-পাসপোর্ট ও বিএমইটি সেবা

আবদুল্লাহ কাদের মালদ্বীপ প্রতিনিধি
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • / 56

প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় পুনর্ব্যক্ত করলেন দৃঢ় অঙ্গীকার মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি কাফু অ্যাটলের থুলুসধু দ্বীপ সফর করে।

প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম। এই সফর ছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধি, তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত হওয়া এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বাংলাদেশ সরকারের চলমান প্রচেষ্টার অংশ।

সোমবার (২২ জুন) দ্বীপে পৌঁছানোর পর থুলুসধু কাউন্সিল এবং উইমেনস ডেভেলপমেন্ট কমিটি (WDC)-এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি দলকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয়।

সফরকালে হাইকমিশনার থুলুসধু কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট, কাউন্সিল সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্য ও আইনগত বিষয়াদি, তাদের সম্মুখীন বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

থুলুসধু আইল্যান্ডের কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট দ্বীপের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশি কর্মীরা তাদের পরিশ্রম, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

হাইকমিশনার দ্বীপ কাউন্সিলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন যে, থুলুসধুতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাব প্রদর্শনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রবাসী বাংলাদেশিরা শুধু মালদ্বীপের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেই অবদান রাখছেন না, বরং তাদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই প্রবাসীরা দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে একটি মানবিক ও অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন।

আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় প্রবাসীদের স্বাস্থ্যসেবা, আইনগত সচেতনতা, সামাজিক সুরক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সেবাসমূহে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি। মান্যবর হাইকমিশনার প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্থানীয় আইন-কানুন যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান এবং যেকোনো সমস্যার ক্ষেত্রে দ্রুত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। উভয় পক্ষই দ্বীপের টেকসই উন্নয়ন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যৌথ প্রকল্প, সচেতনতামূলক কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করে। হাইকমিশনার এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ হাইকমিশন দ্বীপে দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে, এ সময় প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ই-পাসপোর্ট এবং বিএমইটি স্মার্ট কার্ডের আবেদন গ্রহণ করা হয়। সেবাগ্রহণকারীরা এ উদ্যোগের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রতিনিধি দল প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে একটি উন্মুক্ত মতবিনিময় সভারও আয়োজন করে, যেখানে তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও পরামর্শ তুলে ধরেন। বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (শ্রম) জনাব মো. মোতাছেম বিল্যাহ উপস্থিত প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন।

প্রবাসীদের মধ্যে খেলাধুলা, সামাজিক সম্প্রীতি ও সুস্থ জীবনধারা উৎসাহিত করার লক্ষ্যে মান্যবর হাইকমিশনার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন।

সফরকালে হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এবং মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, অধিকার, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেনঃ বিদেশের মাটিতে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি আমাদের জাতীয় পরিবারের অংশ। তাদের পরিশ্রম, ত্যাগ ও অবদান বাংলাদেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাই তাদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। বাংলাদেশ হাইকমিশন সর্বদা প্রবাসীদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আন্তরিকতা, মানবিকতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে তাদের সেবা প্রদান করে যাবে।

এ সফরটি অত্যন্ত আন্তরিক, উষ্ণ ও ফলপ্রসূ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। এটি বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের অভিন্ন অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করেছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মালদ্বীপ দ্বীপে প্রবাসীদের দোরগোড়ায় ই-পাসপোর্ট ও বিএমইটি সেবা

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় পুনর্ব্যক্ত করলেন দৃঢ় অঙ্গীকার মালদ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, সুরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল সম্প্রতি কাফু অ্যাটলের থুলুসধু দ্বীপ সফর করে।

প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন মালদ্বীপে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম। এই সফর ছিল প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বৃদ্ধি, তাদের সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত হওয়া এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহযোগিতা আরও জোরদার করার বাংলাদেশ সরকারের চলমান প্রচেষ্টার অংশ।

সোমবার (২২ জুন) দ্বীপে পৌঁছানোর পর থুলুসধু কাউন্সিল এবং উইমেনস ডেভেলপমেন্ট কমিটি (WDC)-এর পক্ষ থেকে বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি দলকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয়।

সফরকালে হাইকমিশনার থুলুসধু কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট, কাউন্সিল সদস্যবৃন্দ এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে দ্বীপে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, কর্মপরিবেশ, স্বাস্থ্য ও আইনগত বিষয়াদি, তাদের সম্মুখীন বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

থুলুসধু আইল্যান্ডের কাউন্সিলের ভাইস প্রেসিডেন্ট দ্বীপের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশি কর্মীরা তাদের পরিশ্রম, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

হাইকমিশনার দ্বীপ কাউন্সিলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন যে, থুলুসধুতে বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশি কর্মীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং তাদের প্রতি সহযোগিতামূলক মনোভাব প্রদর্শনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হচ্ছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, প্রবাসী বাংলাদেশিরা শুধু মালদ্বীপের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নেই অবদান রাখছেন না, বরং তাদের কষ্টার্জিত রেমিট্যান্স বাংলাদেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই প্রবাসীরা দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যে একটি মানবিক ও অর্থনৈতিক সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছেন।

আলোচনায় বিশেষ গুরুত্ব পায় প্রবাসীদের স্বাস্থ্যসেবা, আইনগত সচেতনতা, সামাজিক সুরক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সেবাসমূহে সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি। মান্যবর হাইকমিশনার প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্থানীয় আইন-কানুন যথাযথভাবে মেনে চলার আহ্বান জানান এবং যেকোনো সমস্যার ক্ষেত্রে দ্রুত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। উভয় পক্ষই দ্বীপের টেকসই উন্নয়ন এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে যৌথ প্রকল্প, সচেতনতামূলক কার্যক্রম, দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সামাজিক উন্নয়ন কর্মসূচি এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণে আগ্রহ প্রকাশ করে। হাইকমিশনার এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সফরের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ হাইকমিশন দ্বীপে দুই দিনব্যাপী কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করে, এ সময় প্রবাসী বাংলাদেশিদের কাছ থেকে ই-পাসপোর্ট এবং বিএমইটি স্মার্ট কার্ডের আবেদন গ্রহণ করা হয়। সেবাগ্রহণকারীরা এ উদ্যোগের প্রতি সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রতিনিধি দল প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে একটি উন্মুক্ত মতবিনিময় সভারও আয়োজন করে, যেখানে তারা তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও পরামর্শ তুলে ধরেন। বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (শ্রম) জনাব মো. মোতাছেম বিল্যাহ উপস্থিত প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তাদের বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনেন।

প্রবাসীদের মধ্যে খেলাধুলা, সামাজিক সম্প্রীতি ও সুস্থ জীবনধারা উৎসাহিত করার লক্ষ্যে মান্যবর হাইকমিশনার বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করেন।

সফরকালে হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম বাংলাদেশ সরকার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড এবং মালদ্বীপে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, অধিকার, মর্যাদা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠান নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

তিনি বলেনঃ বিদেশের মাটিতে অবস্থানরত প্রতিটি বাংলাদেশি আমাদের জাতীয় পরিবারের অংশ। তাদের পরিশ্রম, ত্যাগ ও অবদান বাংলাদেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তাই তাদের কল্যাণ, নিরাপত্তা ও মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের নৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্ব। বাংলাদেশ হাইকমিশন সর্বদা প্রবাসীদের পাশে রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও আন্তরিকতা, মানবিকতা ও দায়বদ্ধতার সঙ্গে তাদের সেবা প্রদান করে যাবে।

এ সফরটি অত্যন্ত আন্তরিক, উষ্ণ ও ফলপ্রসূ পরিবেশে সম্পন্ন হয়। এটি বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশিদের কল্যাণ, অধিকার ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উভয় পক্ষের অভিন্ন অঙ্গীকারকে পুনর্ব্যক্ত করেছে।