ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শাহজালাল বিমানবন্দরে চালু হলো ফ্রি ওয়াই-ফাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
  • / 130

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ফ্রি উচ্চগতির ওয়াই-ফাই সেবা। একসঙ্গে প্রায় ৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী এই ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবার উদ্বোধন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি। রোববার দুপুর ২টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করার সরকারি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই বিমানবন্দরের সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই ডিজিটাল সেবা চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে খুব দ্রুত থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধনের আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, একসঙ্গে প্রায় ৩৭ হাজার ৫০০ যাত্রী এই ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারবেন। তিনি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে এই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে। এর আওতায় রয়েছে টার্মিনাল-১, টার্মিনাল-২, ডোমেস্টিক টার্মিনাল, ভিআইপি ও ভিভিআইপি টার্মিনাল এবং কার পার্কিং এলাকা। ফলে বিমানবন্দরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাত্রীরা বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

সেবাটি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৫০টি অ্যাক্সেস পয়েন্ট, ৪৮ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ও ইথারনেট কেবল এবং ৩৭টি অ্যাক্সেস সুইচ। পুরো নেটওয়ার্কটি সর্বোচ্চ ৪০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, প্রতিটি অ্যাক্সেস পয়েন্ট একসঙ্গে সর্বোচ্চ ১৫০ জন ব্যবহারকারীকে সেবা দিতে সক্ষম। সে হিসেবে একই সময়ে প্রায় ৩৭ হাজার ৫০০ যাত্রী ইন্টারনেট সুবিধা নিতে পারবেন।

গত ২৬ এপ্রিল পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ২০ হাজার যাত্রী এই সেবা ব্যবহার করেছেন। এ সময়ে প্রায় ২ দশমিক ৩ টেরাবাইট ডেটা ব্যবহৃত হয়েছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শাহজালাল বিমানবন্দরে চালু হলো ফ্রি ওয়াই-ফাই

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩১:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ফ্রি উচ্চগতির ওয়াই-ফাই সেবা। একসঙ্গে প্রায় ৩৭ হাজারের বেশি যাত্রী এই ইন্টারনেট সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

 ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবার উদ্বোধন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম এমপি। রোববার দুপুর ২টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এমপি এবং প্রধানমন্ত্রীর ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী আফরোজা খানম বলেন, দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সুবিধা নিশ্চিত করার সরকারি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবেই বিমানবন্দরের সাধারণ যাত্রীদের জন্য এই ডিজিটাল সেবা চালু করা হয়েছে। তিনি বলেন, সরকার যাত্রীসেবার মান উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে খুব দ্রুত থার্ড টার্মিনাল উদ্বোধনের আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান, একসঙ্গে প্রায় ৩৭ হাজার ৫০০ যাত্রী এই ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহার করতে পারবেন। তিনি এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রায় ৯৪ হাজার বর্গমিটার এলাকা জুড়ে এই ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে। এর আওতায় রয়েছে টার্মিনাল-১, টার্মিনাল-২, ডোমেস্টিক টার্মিনাল, ভিআইপি ও ভিভিআইপি টার্মিনাল এবং কার পার্কিং এলাকা। ফলে বিমানবন্দরের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাত্রীরা বিনামূল্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন।

সেবাটি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর অবকাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ২৫০টি অ্যাক্সেস পয়েন্ট, ৪৮ কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার ও ইথারনেট কেবল এবং ৩৭টি অ্যাক্সেস সুইচ। পুরো নেটওয়ার্কটি সর্বোচ্চ ৪০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ সক্ষমতায় পরিচালিত হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, প্রতিটি অ্যাক্সেস পয়েন্ট একসঙ্গে সর্বোচ্চ ১৫০ জন ব্যবহারকারীকে সেবা দিতে সক্ষম। সে হিসেবে একই সময়ে প্রায় ৩৭ হাজার ৫০০ যাত্রী ইন্টারনেট সুবিধা নিতে পারবেন।

গত ২৬ এপ্রিল পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ২০ হাজার যাত্রী এই সেবা ব্যবহার করেছেন। এ সময়ে প্রায় ২ দশমিক ৩ টেরাবাইট ডেটা ব্যবহৃত হয়েছে বলেও জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।