ঢাকা ০২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে দেশে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
  • / 131

দেশে উদ্বেগজনক হারে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার ঘটছে। জাতীয় সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে এ সমস্যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

দেশে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণী খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত প্রয়োগের কারণে প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার বাড়ছে। এতে চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে উঠছে এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি জানান, এএমআর মোকাবিলায় সরকার জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। ‘ওয়ান হেলথ’ পদ্ধতির আওতায় মানব, প্রাণী ও পরিবেশ খাতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব স্থাপন ও উন্নয়নের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি। এসব ল্যাবে জীবাণু শনাক্তকরণ, কালচার ও সেনসিটিভিটি টেস্টের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং জনবল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণা ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যে কারণে দেশে বাড়ছে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণু

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

দেশে উদ্বেগজনক হারে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার ঘটছে। জাতীয় সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার ও অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের কারণে এ সমস্যা জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠেছে।

দেশে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর প্রাদুর্ভাব ক্রমেই বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (এএমআর) বর্তমানে দেশের অন্যতম বড় জনস্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের লিখিত প্রশ্নোত্তর পর্বে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, অ্যান্টিবায়োটিকের অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ব্যবহার, সংক্রমণ প্রতিরোধ ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা এবং মানব ও প্রাণী খাতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়ালের অনিয়ন্ত্রিত প্রয়োগের কারণে প্রতিরোধী জীবাণুর বিস্তার বাড়ছে। এতে চিকিৎসা আরও জটিল হয়ে উঠছে এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

তিনি জানান, এএমআর মোকাবিলায় সরকার জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। ‘ওয়ান হেলথ’ পদ্ধতির আওতায় মানব, প্রাণী ও পরিবেশ খাতে সমন্বিত কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি জাতীয় পর্যায়ে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স নজরদারি কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

সরকারি মেডিকেল কলেজ ও বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে আধুনিক মাইক্রোবায়োলজি ল্যাব স্থাপন ও উন্নয়নের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি। এসব ল্যাবে জীবাণু শনাক্তকরণ, কালচার ও সেনসিটিভিটি টেস্টের সক্ষমতা বৃদ্ধি, আধুনিক যন্ত্রপাতি সরবরাহ এবং জনবল প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এ ছাড়া সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ (আইপিসি) এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল স্টুয়ার্ডশিপ কর্মসূচিও বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। অ্যান্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি গবেষণা ও নজরদারি কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।