‘তিস্তা প্রকল্পে অন্য দেশের কনসার্ন থাকার সুযোগ নেই’
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
- / 14
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে বাংলাদেশ নিজস্ব জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বলেন, এ প্রকল্প নিয়ে অন্য কোনো দেশের ‘কনসার্ন’ থাকার সুযোগ নেই।
তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে সরকারের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। তাই জনগণের স্বার্থে তিস্তা প্রকল্প বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ নিজেই নেবে এবং এতে অন্য কোনো দেশের উদ্বেগের সুযোগ নেই।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি জানান, তিস্তা নদী তীরবর্তী মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ নিরসনেই মহাপরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। বর্ষায় নদীভাঙন এবং শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকটে উত্তরাঞ্চলের মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়ে। প্রকল্পের আওতায় নদী শাসন, ড্রেজিং এবং পানি সংরক্ষণের কাজ করা হবে।
ডা. জাহেদ বলেন, এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে চীনের প্রয়োজনীয় দক্ষতা ও অর্থায়নের সক্ষমতা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্রুত প্রকল্পের কাজ শুরুর নির্দেশনা দিয়েছেন।
ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে নিজস্ব স্বার্থে সিদ্ধান্ত নেবে। কোনো দেশের নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগ থাকলে তা বিবেচনায় নেওয়া হবে, তবে জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না।
তিনি আরও বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অর্থ এই নয় যে, বাংলাদেশ অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যার দাবি থেকে সরে এসেছে। তিস্তা, গঙ্গাসহ ৫৩টি অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে দেশের স্বার্থে নদী শাসন ও ডাউনস্ট্রিম ব্যারাজ নির্মাণের কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে।


































