ঢাকা ১০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আলোচনা করেই সংবিধানে ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৯:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 27

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধানে একটি অংশগ্রহণমূলক ও ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী আনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে আলোচনার দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত। বিরোধী দলসহ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোকে বিশেষ কমিটিতে যুক্ত হয়ে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই অংশগ্রহণমূলক সংশোধনী আনার চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামাজিক শক্তি, সংগঠন ও ব্যক্তিদের পাশাপাশি গত ১৭ বছরে গুম, খুন ও নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার এবং জীবিত ভুক্তভোগীদের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারের মতামতও নেওয়া হবে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিভিন্ন পক্ষের মতামত নেওয়ার পর সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে তা জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। সংসদে আলোচনার পাশাপাশি সংসদের বাইরেও মতামত নেওয়া হবে। এভাবে সমঝোতার ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি একক ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হওয়ায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে জুলাই জাতীয় সনদে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়ে যে ঐকমত্য হয়েছে, সেই ভিত্তিতেই এগিয়ে যেতে চায় সরকার।

এ ছাড়া বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন, এর প্রক্রিয়া ও কাঠামো নিয়ে আরও উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। যে প্রস্তাব সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য মনে হবে, সংসদ তা বিবেচনা করবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আলোচনা করেই সংবিধানে ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী

সর্বশেষ আপডেট ০৭:১৯:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধানে একটি অংশগ্রহণমূলক ও ‘ইনক্লুসিভ’ সংশোধনী আনার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন সম্পর্কিত বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংশোধনের বিষয়ে আলোচনার দ্বার সবার জন্য উন্মুক্ত। বিরোধী দলসহ সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোকে বিশেষ কমিটিতে যুক্ত হয়ে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সবার সঙ্গে আলোচনা করেই অংশগ্রহণমূলক সংশোধনী আনার চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সামাজিক শক্তি, সংগঠন ও ব্যক্তিদের পাশাপাশি গত ১৭ বছরে গুম, খুন ও নিপীড়নের শিকার ব্যক্তিদের পরিবার এবং জীবিত ভুক্তভোগীদের সঙ্গেও আলোচনা করা হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবারের মতামতও নেওয়া হবে। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত ও পরামর্শ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিভিন্ন পক্ষের মতামত নেওয়ার পর সংবিধান বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তাদের পরামর্শের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে তা জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। সংসদে আলোচনার পাশাপাশি সংসদের বাইরেও মতামত নেওয়া হবে। এভাবে সমঝোতার ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য সংশোধনী আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ একটি একক ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হওয়ায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে জুলাই জাতীয় সনদে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠনের বিষয়ে যে ঐকমত্য হয়েছে, সেই ভিত্তিতেই এগিয়ে যেতে চায় সরকার।

এ ছাড়া বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ ও স্বাধীনতা এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এ বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের বক্তব্য রেকর্ড করা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন, এর প্রক্রিয়া ও কাঠামো নিয়ে আরও উন্মুক্ত আলোচনা ও প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। যে প্রস্তাব সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য মনে হবে, সংসদ তা বিবেচনা করবে।