ঢাকা ০১:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হরমুজে ফি আদায় করবে ইরান, মিত্র দেশ পাবে সুবিধা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
  • / 12

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে নতুন করে ফি নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ইরান।

তবে তেহরানের দাবি, এটি কোনো ‘টোল’ নয়; বরং নিরাপত্তা, নৌপথ ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট সেবার বিপরীতে এই অর্থ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জন্য বিশেষ সুবিধার কথাও জানিয়েছে তারা।

শনিবার (৪ জুলাই) চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পিস ফোরামে এ ঘোষণা দেন দেশটিতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রাহমানি ফাজলি। খবর এনডিটিভির।

ফাজলি বলেন, হরমুজ প্রণালি ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার অংশ। তাই সেখানে চলাচলকারী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার জন্য ফি নেওয়া হবে। তবে এটিকে টোল হিসেবে ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না।

তিনি জানান, ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করে হরমুজ প্রণালির জন্য নতুন ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। এর আওতায় নৌপথের নিরাপত্তা জোরদার, জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং অতিরিক্ত নৌযান চলাচলের কারণে পরিবেশগত প্রভাব মোকাবিলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘যেসব দেশ কঠিন সময়ে আমাদের পাশে ছিল এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেছে, তাদের জন্য অবশ্যই বিশেষ সুবিধা বিবেচনা করা হবে।’

বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই নৌপথে যেকোনো সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রাথমিক সমঝোতার পর সেই অবরোধ তুলে নেয় তেহরান। বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হরমুজে ফি আদায় করবে ইরান, মিত্র দেশ পাবে সুবিধা

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৭:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের কাছ থেকে নতুন করে ফি নেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ইরান।

তবে তেহরানের দাবি, এটি কোনো ‘টোল’ নয়; বরং নিরাপত্তা, নৌপথ ব্যবস্থাপনা ও সংশ্লিষ্ট সেবার বিপরীতে এই অর্থ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জন্য বিশেষ সুবিধার কথাও জানিয়েছে তারা।

শনিবার (৪ জুলাই) চীনের বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড পিস ফোরামে এ ঘোষণা দেন দেশটিতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আবদোলরেজা রাহমানি ফাজলি। খবর এনডিটিভির।

ফাজলি বলেন, হরমুজ প্রণালি ইরানের আঞ্চলিক জলসীমার অংশ। তাই সেখানে চলাচলকারী জাহাজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় সেবা দেওয়ার জন্য ফি নেওয়া হবে। তবে এটিকে টোল হিসেবে ব্যাখ্যা করা ঠিক হবে না।

তিনি জানান, ওমানের সঙ্গে সমন্বয় করে হরমুজ প্রণালির জন্য নতুন ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। এর আওতায় নৌপথের নিরাপত্তা জোরদার, জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণ এবং অতিরিক্ত নৌযান চলাচলের কারণে পরিবেশগত প্রভাব মোকাবিলার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘যেসব দেশ কঠিন সময়ে আমাদের পাশে ছিল এবং বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করেছে, তাদের জন্য অবশ্যই বিশেষ সুবিধা বিবেচনা করা হবে।’

বিশ্বের মোট অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় এক-পঞ্চমাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই নৌপথে যেকোনো সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইরান কার্যত হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল সীমিত করলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির প্রাথমিক সমঝোতার পর সেই অবরোধ তুলে নেয় তেহরান। বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনা চলছে।