ঢাকা ০৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাদি হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত ফেরানোর আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • / 22

শহীদ শরীফ ওসমান হাদি

শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার ভারত থেকে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্র ইতোমধ্যে ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তিন আসামিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তার করেছে। তারা বর্তমানে কলকাতায় রয়েছেন বলে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্র পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার এখন ভারতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে মামলার অসমাপ্ত তদন্ত শেষ করে দ্রুত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে জমা দেওয়া যাবে।

ব্রিফিংয়ে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের প্রসঙ্গেও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ফেডারেল পুলিশ ই-মেইলে বাংলাদেশ সরকারকে বিষয়টি জানায় এবং ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি পাঠাতে বলে। বাংলাদেশ সরকার তিন দিনের মধ্যেই নথিপত্র প্রস্তুত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইউএই সরকারের কাছে পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে এখনো ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব পাওয়া যায়নি। তবে সরকার আশা করছে, এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে কাউকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি জানান, ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে প্রয়োজন হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তালিকা দেওয়ার জন্য ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে। নাগরিকত্ব যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

হাদি হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত ফেরানোর আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৬:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার ভারত থেকে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের শিগগিরই দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানান, প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্র ইতোমধ্যে ভারত সরকারের কাছে পাঠানো হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ‘মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার তিন আসামিকে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ গ্রেপ্তার করেছে। তারা বর্তমানে কলকাতায় রয়েছেন বলে সরকারের কাছে তথ্য রয়েছে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথিপত্র পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার এখন ভারতের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে মামলার অসমাপ্ত তদন্ত শেষ করে দ্রুত অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে জমা দেওয়া যাবে।

ব্রিফিংয়ে পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের প্রসঙ্গেও কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, গ্রেপ্তারের পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ফেডারেল পুলিশ ই-মেইলে বাংলাদেশ সরকারকে বিষয়টি জানায় এবং ৩০ দিনের মধ্যে প্রয়োজনীয় নথি পাঠাতে বলে। বাংলাদেশ সরকার তিন দিনের মধ্যেই নথিপত্র প্রস্তুত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ইউএই সরকারের কাছে পাঠিয়েছে।

তিনি বলেন, বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে এখনো ইউএই সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক জবাব পাওয়া যায়নি। তবে সরকার আশা করছে, এ বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানানো হবে।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে কাউকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তিনি জানান, ভারতে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে প্রয়োজন হলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তালিকা দেওয়ার জন্য ভারতকে অনুরোধ করা হয়েছে। নাগরিকত্ব যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।