ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করমুক্ত আয়ের সীমা ধাপে ধাপে বাড়বে পাঁচ বছরে

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬
  • / 79

আগামী পাঁচ অর্থবছরে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা ধাপে ধাপে বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার, যা মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ২০২৬–২৭ থেকে ২০৩০–৩১ অর্থবছর পর্যন্ত ধাপে ধাপে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হবে। শুরুতে বিদ্যমান ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে তা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে।

পরবর্তী ধাপে ২০২৮–২৯ ও ২০২৯–৩০ অর্থবছরে এই সীমা ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০–৩১ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নারী করদাতা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি ছাড় থাকবে। একইভাবে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য আরও উচ্চ করমুক্ত সীমার প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা ধাপে ধাপে বাড়বে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্যও বাড়তি করছাড়ের প্রস্তাব রয়েছে, আর প্রতিবন্ধী ব্যক্তির নির্ভরশীল সন্তানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত করমুক্ত সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যেখানে ঘাটতি পূরণে দেশি-বিদেশি ঋণ ও অন্যান্য উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

করমুক্ত আয়ের সীমা ধাপে ধাপে বাড়বে পাঁচ বছরে

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৫:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

আগামী পাঁচ অর্থবছরে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা ধাপে ধাপে বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার, যা মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

জাতীয় সংসদে বাজেট উপস্থাপনের সময় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানান, ২০২৬–২৭ থেকে ২০৩০–৩১ অর্থবছর পর্যন্ত ধাপে ধাপে ব্যক্তিগত করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানো হবে। শুরুতে বিদ্যমান ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে তা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে।

পরবর্তী ধাপে ২০২৮–২৯ ও ২০২৯–৩০ অর্থবছরে এই সীমা ৪ লাখ টাকা এবং ২০৩০–৩১ অর্থবছরে ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা করার পরিকল্পনা করা হয়েছে।

নারী করদাতা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের ক্ষেত্রে তুলনামূলক বেশি ছাড় থাকবে। একইভাবে তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য আরও উচ্চ করমুক্ত সীমার প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যা ধাপে ধাপে বাড়বে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।

যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্যও বাড়তি করছাড়ের প্রস্তাব রয়েছে, আর প্রতিবন্ধী ব্যক্তির নির্ভরশীল সন্তানের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত করমুক্ত সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যেখানে ঘাটতি পূরণে দেশি-বিদেশি ঋণ ও অন্যান্য উৎস থেকে অর্থ সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে।