জলঢাকায় অবৈধ বালু উত্তোলনে অভিযান, জরিমানা ১ লাখ
- সর্বশেষ আপডেট ০৫:২১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
- / 43
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় অনুমোদন ছাড়াই বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন। এ সময় বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত পাইপ ও মেশিন ভেঙে দেওয়া হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) বিকেলে উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের হরিশচন্দ্রপাঠ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি র্যাব ও পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় বোমা মেশিন ও ড্রেজার ব্যবহার করে অনুমোদন ছাড়াই বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। স্থানীয়ভাবে এ কার্যক্রমে হাবিবুর মেম্বারের নেতৃত্ব রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে আশপাশের কৃষিজমি, বসতভিটা ও পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা। বিশেষ করে কৃষিজমির কাছাকাছি থেকে যন্ত্রের মাধ্যমে বালু তোলায় জমির মালিকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
অভিযানে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রশাসনের কর্মকর্তারা বালু উত্তোলনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। পরে উত্তোলনে ব্যবহৃত পাইপ ও মেশিন ভেঙে দেওয়া হয়, যাতে সেগুলো দিয়ে পুনরায় বালু উত্তোলন করা না যায়। অভিযান শেষে সংশ্লিষ্টদের এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন জলঢাকা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোল্লা ইফতেখার আহমেদ। এ সময় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার মো. তানজীর ইসলাম ও মো. আসাদুজ্জামান, র্যাবের এএসপি তৌহিদসহ পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে বোমা ও ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের কারণে মাটির গঠন পরিবর্তন, কৃষিজমির ক্ষতি ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিকবার আলোচনা হলেও অবৈধ বালু উত্তোলন পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ তাদের।
প্রশাসনের অভিযানের পর এলাকায় স্বস্তি ফিরলেও অবৈধ বালু উত্তোলন স্থায়ীভাবে বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।





























