ঢাকা ১০:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজার সৈকতে বিপিজেএফের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • / 148

কক্সবাজার সৈকতে বিপিজেএফের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

‘ক্লিন বাংলাদেশ, ক্লিন জার্নালিজম’ স্লোগানকে সামনে রেখে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরাম (বিপিজেএফ)।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সংগঠনটির উদ্যোগে সৈকতের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযানে সৈকতে পড়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, কাগজসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট স্থানে অপসারণ করা হয়। পাশাপাশি পর্যটক ও স্থানীয়দের সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখা এবং যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলার বিষয়ে সচেতন করা হয়।

বিপিজেএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলাম (শাকিল) ও সাধারণ সম্পাদক মো. রোমান আকন্দের নেতৃত্বে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সহসভাপতি মাহবুব আলম বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএম রেজাউল করিম ও সোহেল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, খাদেমুল ইসলাম, আবুল হোসেন, ঢাকা মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক হাফিজ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় ধর্ম সম্পাদক এসএম জাহান ইমাম, আইন সম্পাদক খোরশেদ আলম বাবুল, গণযোগাযোগ সম্পাদক মাইনুউদ্দিন জমাদার ও খাইরুল ইসলামসহ অনেকে।

বিপিজেএফ সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজ ও পরিবেশের প্রতিও গণমাধ্যমকর্মীদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। কক্সবাজার দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র হওয়ায় এর পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। ‘ক্লিন বাংলাদেশ, ক্লিন জার্নালিজম’ শুধু স্লোগান নয়, এটি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ।

সাধারণ সম্পাদক মো. রোমান আকন্দ বলেন, পরিবেশ রক্ষায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সামাজিক পরিবর্তনেও ভূমিকা রাখতে চায় বিপিজেএফ। সৈকতে যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় প্রশাসনের পাশাপাশি পর্যটক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দেরও সক্রিয় হতে হবে।

সংগঠনের সহসভাপতি মাহবুব আলম বাবু বলেন, কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। পরিচ্ছন্ন সৈকত নিশ্চিত করতে নিয়মিত সচেতনতা কার্যক্রম প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগকে ভবিষ্যতে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতারা বলেন, একদিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান দিয়ে স্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব নয়। সৈকত পরিষ্কার রাখতে পর্যটকদের ডাস্টবিন ব্যবহার, প্লাস্টিক-পলিথিনের ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশের ক্ষতি হয়; এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা জরুরি।

বিপিজেএফের নেতাকর্মীরা ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কক্সবাজার সৈকতে বিপিজেএফের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৫৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

‘ক্লিন বাংলাদেশ, ক্লিন জার্নালিজম’ স্লোগানকে সামনে রেখে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ পেশাদার সাংবাদিক ফোরাম (বিপিজেএফ)।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সংগঠনটির উদ্যোগে সৈকতের প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

অভিযানে সৈকতে পড়ে থাকা প্লাস্টিক, পলিথিন, কাগজসহ বিভিন্ন ধরনের বর্জ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট স্থানে অপসারণ করা হয়। পাশাপাশি পর্যটক ও স্থানীয়দের সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখা এবং যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা না ফেলার বিষয়ে সচেতন করা হয়।

বিপিজেএফের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলাম (শাকিল) ও সাধারণ সম্পাদক মো. রোমান আকন্দের নেতৃত্বে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এতে অংশ নেন। তাদের মধ্যে ছিলেন সহসভাপতি মাহবুব আলম বাবু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এসএম রেজাউল করিম ও সোহেল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক সঞ্জয় সাহা, খাদেমুল ইসলাম, আবুল হোসেন, ঢাকা মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক হাফিজ উদ্দিন, কেন্দ্রীয় ধর্ম সম্পাদক এসএম জাহান ইমাম, আইন সম্পাদক খোরশেদ আলম বাবুল, গণযোগাযোগ সম্পাদক মাইনুউদ্দিন জমাদার ও খাইরুল ইসলামসহ অনেকে।

বিপিজেএফ সভাপতি কাজী শরিফুল ইসলাম বলেন, সাংবাদিকতার পাশাপাশি সমাজ ও পরিবেশের প্রতিও গণমাধ্যমকর্মীদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। কক্সবাজার দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যটনকেন্দ্র হওয়ায় এর পরিবেশ ও সৌন্দর্য রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। ‘ক্লিন বাংলাদেশ, ক্লিন জার্নালিজম’ শুধু স্লোগান নয়, এটি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ।

সাধারণ সম্পাদক মো. রোমান আকন্দ বলেন, পরিবেশ রক্ষায় গণমাধ্যমকর্মীদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। সংবাদ পরিবেশনের পাশাপাশি সামাজিক পরিবর্তনেও ভূমিকা রাখতে চায় বিপিজেএফ। সৈকতে যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পরিবেশ ও সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ সমস্যা মোকাবিলায় প্রশাসনের পাশাপাশি পর্যটক, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়দেরও সক্রিয় হতে হবে।

সংগঠনের সহসভাপতি মাহবুব আলম বাবু বলেন, কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য রক্ষা করা সবার দায়িত্ব। পরিচ্ছন্ন সৈকত নিশ্চিত করতে নিয়মিত সচেতনতা কার্যক্রম প্রয়োজন। এ ধরনের উদ্যোগকে ভবিষ্যতে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া নেতারা বলেন, একদিনের পরিচ্ছন্নতা অভিযান দিয়ে স্থায়ী পরিবর্তন সম্ভব নয়। সৈকত পরিষ্কার রাখতে পর্যটকদের ডাস্টবিন ব্যবহার, প্লাস্টিক-পলিথিনের ব্যবহার কমানো এবং পরিবেশের ক্ষতি হয়; এমন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা জরুরি।

বিপিজেএফের নেতাকর্মীরা ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিবেশ সুরক্ষা ও জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।