ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেয়ার কেলেঙ্কারি: সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২০:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • / 33

ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান। ছবি: সংগৃহীত

আড়াইশো কোটি টাকার শেয়ার বাজার কারসাজির অভিযোগে তদন্তের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের নথি জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের তদন্ত কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথি সংগ্রহ করেন। অভিযোগটি মূলত পুঁজিবাজারে শেয়ার কারসাজি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সম্পর্কিত।

দুদকের মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে দায়ের করা মামলায় বলা হয়, সাকিব আল হাসান ও তার সহযোগীরা প্রায় ২৫৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। এর মধ্যে সাকিবের বিরুদ্ধে প্রায় ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাতের পৃথক অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আলোচিত কারসাজিকারী আবুল খায়ের হিরুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী পেপারসের শেয়ারে বিনিয়োগ করেন এবং পরে বাজারে প্রভাব খাটিয়ে ম্যানিপুলেশনে যুক্ত হন বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও তদন্তাধীন।

অন্যদিকে, সাকিব একাধিক সাক্ষাৎকারে অভিযোগগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। তার দাবি, দীর্ঘ সময়েও কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ সামনে আনা হয়নি। তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিষয়টিকে তিনি তদন্তের অংশ হিসেবে দেখলেও প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি আরও বলেন, কিছু মামলা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে আছে এবং দ্রুত তদন্ত শেষ করে পরিষ্কার সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি ব্যবস্থা মেনে নেবেন, অন্যথায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

শেয়ার কেলেঙ্কারি: সাকিবসহ ১৫ জনের নথি জব্দ

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২০:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

আড়াইশো কোটি টাকার শেয়ার বাজার কারসাজির অভিযোগে তদন্তের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের নথি জব্দ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

দুদকের তদন্ত কর্মকর্তারা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে তদন্ত প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথি সংগ্রহ করেন। অভিযোগটি মূলত পুঁজিবাজারে শেয়ার কারসাজি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সম্পর্কিত।

দুদকের মামলার তথ্য অনুযায়ী, গত জুনে দায়ের করা মামলায় বলা হয়, সাকিব আল হাসান ও তার সহযোগীরা প্রায় ২৫৬ কোটি টাকা হাতিয়ে নেন। এর মধ্যে সাকিবের বিরুদ্ধে প্রায় ২ কোটি ৯৫ লাখ টাকা আত্মসাতের পৃথক অভিযোগও রয়েছে।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, আলোচিত কারসাজিকারী আবুল খায়ের হিরুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে তিনি প্যারামাউন্ট ইন্স্যুরেন্স, ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্স ও সোনালী পেপারসের শেয়ারে বিনিয়োগ করেন এবং পরে বাজারে প্রভাব খাটিয়ে ম্যানিপুলেশনে যুক্ত হন বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগও তদন্তাধীন।

অন্যদিকে, সাকিব একাধিক সাক্ষাৎকারে অভিযোগগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করেন। তার দাবি, দীর্ঘ সময়েও কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ সামনে আনা হয়নি। তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার বিষয়টিকে তিনি তদন্তের অংশ হিসেবে দেখলেও প্রক্রিয়ার অগ্রগতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি আরও বলেন, কিছু মামলা রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জটিলতায় আটকে আছে এবং দ্রুত তদন্ত শেষ করে পরিষ্কার সিদ্ধান্ত দেওয়া উচিত। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি ব্যবস্থা মেনে নেবেন, অন্যথায় নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আহ্বান জানান।