ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বছরের পারমাণবিক স্থগিত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • / 33

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার যে প্রস্তাব সামনে এসেছে, তা তেহরান সরাসরি নাকচ করেছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে আবারও স্পষ্ট হয়েছে পুরোনো অস্থিরতা ও আস্থার ঘাটতি।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার বিষয়ে তিনি আপত্তি করবেন না—শর্ত হলো, এটি যেন একটি “বাস্তব প্রতিশ্রুতি”র ভিত্তিতে হয়। এ মন্তব্য তিনি বিমান বাহিনী একে করে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে করেন।

তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে কূটনৈতিক সূত্রগুলোতে। জানা যায়, এই ২০ বছরের স্থগিত প্রস্তাবটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকেই এসেছে। ইরান সেই প্রস্তাবকে কেবল প্রত্যাখ্যানই করেনি, বরং আলোচনার কাঠামোকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

তেহরানের অবস্থান অনুযায়ী, পারমাণবিক ইস্যু আলাদা করে আলোচনার বিষয় নয়। তাদের দেওয়া বার্তায় বরং যুদ্ধ পরিস্থিতি, আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পাঠানো নথিতেও এই অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

ইরান আরও বলছে, যুক্তরাষ্ট্রকে আগে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে এবং বিভিন্ন শর্ত পূরণ করতে হবে—যার মধ্যে রয়েছে আটকে রাখা সম্পদ ফেরত দেওয়া, নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নেওয়া, হরমুজ প্রণালিতে সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি, নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিষয়। এসব ইস্যুতে অগ্রগতি ছাড়া পারমাণবিক বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান।

এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের অবস্থান আরও দূরে সরে গেছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুক্তরাষ্ট্রের ২০ বছরের পারমাণবিক স্থগিত প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান ইরানের

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার যে প্রস্তাব সামনে এসেছে, তা তেহরান সরাসরি নাকচ করেছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের বক্তব্যে আবারও স্পষ্ট হয়েছে পুরোনো অস্থিরতা ও আস্থার ঘাটতি।

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম ২০ বছরের জন্য স্থগিত রাখার বিষয়ে তিনি আপত্তি করবেন না—শর্ত হলো, এটি যেন একটি “বাস্তব প্রতিশ্রুতি”র ভিত্তিতে হয়। এ মন্তব্য তিনি বিমান বাহিনী একে করে ওয়াশিংটনে ফেরার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে করেন।

তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে কূটনৈতিক সূত্রগুলোতে। জানা যায়, এই ২০ বছরের স্থগিত প্রস্তাবটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের দিক থেকেই এসেছে। ইরান সেই প্রস্তাবকে কেবল প্রত্যাখ্যানই করেনি, বরং আলোচনার কাঠামোকেই প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।

তেহরানের অবস্থান অনুযায়ী, পারমাণবিক ইস্যু আলাদা করে আলোচনার বিষয় নয়। তাদের দেওয়া বার্তায় বরং যুদ্ধ পরিস্থিতি, আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিষয়গুলোকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে পাঠানো নথিতেও এই অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

ইরান আরও বলছে, যুক্তরাষ্ট্রকে আগে যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে এবং বিভিন্ন শর্ত পূরণ করতে হবে—যার মধ্যে রয়েছে আটকে রাখা সম্পদ ফেরত দেওয়া, নিষেধাজ্ঞা পুরোপুরি তুলে নেওয়া, হরমুজ প্রণালিতে সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি, নৌ অবরোধ প্রত্যাহার এবং ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত বিষয়। এসব ইস্যুতে অগ্রগতি ছাড়া পারমাণবিক বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে না বলেও ইঙ্গিত দিয়েছে তেহরান।

এই পরিস্থিতিতে দুই দেশের অবস্থান আরও দূরে সরে গেছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।