ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থা নেই ইরানের, তবে শর্তসাপেক্ষে আলোচনা: আরাঘচি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • / 13

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তেহরানের কোনো আস্থা নেই। তবে ওয়াশিংটন যদি সত্যিকারের আন্তরিকতা দেখায়, তাহলে আলোচনার পথ খোলা থাকতে পারে—এমন অবস্থানই এখন ইরানের।

নয়াদিল্লিতে ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এসব মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আসা পরস্পরবিরোধী বার্তাই ইরানের সন্দেহ ও অনাস্থার মূল কারণ। আলোচনার প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরাঘচি জানান, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়নি, তবে তা এখনো জটিল অবস্থায় রয়েছে। তার ভাষায়, কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে সুযোগ দিতে ইরান যুদ্ধবিরতি ধরে রাখার চেষ্টা করছে, যদিও প্রয়োজনে আবার সংঘাতে ফেরার প্রস্তুতিও রয়েছে।

হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্ত নয় এমন সব দেশের জাহাজ এই প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে। তবে যেসব পক্ষ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে তা সীমিত। নিরাপদ চলাচলের জন্য জাহাজগুলোকে ইরানি নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ বর্তমানে “জটিল পরিস্থিতির” মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলছে।

আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই আলোচনায় আন্তরিক হয়, তবে ইরান তা বিবেচনা করবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত পাওয়া বার্তাগুলো একেক সময় একেক রকম, যা কূটনৈতিক অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

তার এই মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান ইস্যুতে তার ধৈর্য কমে আসছে এবং হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে হবে বলে তিনি চীনসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আস্থা নেই ইরানের, তবে শর্তসাপেক্ষে আলোচনা: আরাঘচি

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩৭:৩৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি তেহরানের কোনো আস্থা নেই। তবে ওয়াশিংটন যদি সত্যিকারের আন্তরিকতা দেখায়, তাহলে আলোচনার পথ খোলা থাকতে পারে—এমন অবস্থানই এখন ইরানের।

নয়াদিল্লিতে ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে এসব মন্তব্য করেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আসা পরস্পরবিরোধী বার্তাই ইরানের সন্দেহ ও অনাস্থার মূল কারণ। আলোচনার প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়েই প্রশ্ন তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

আরাঘচি জানান, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় আলোচনা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়নি, তবে তা এখনো জটিল অবস্থায় রয়েছে। তার ভাষায়, কূটনৈতিক প্রক্রিয়াকে সুযোগ দিতে ইরান যুদ্ধবিরতি ধরে রাখার চেষ্টা করছে, যদিও প্রয়োজনে আবার সংঘাতে ফেরার প্রস্তুতিও রয়েছে।

হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্ত নয় এমন সব দেশের জাহাজ এই প্রণালি ব্যবহার করতে পারবে। তবে যেসব পক্ষ ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে তা সীমিত। নিরাপদ চলাচলের জন্য জাহাজগুলোকে ইরানি নৌবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ বর্তমানে “জটিল পরিস্থিতির” মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর প্রভাব ফেলছে।

আরাঘচি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি সত্যিই আলোচনায় আন্তরিক হয়, তবে ইরান তা বিবেচনা করবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত পাওয়া বার্তাগুলো একেক সময় একেক রকম, যা কূটনৈতিক অগ্রগতিকে বাধাগ্রস্ত করছে।

তার এই মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরান ইস্যুতে তার ধৈর্য কমে আসছে এবং হরমুজ প্রণালি খোলা রাখতে হবে বলে তিনি চীনসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।