ঢাকা ০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 5

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিজেপি সরকার। নতুন বিধিনিষেধ অনুযায়ী, সরকারি অনুমোদন ও পশু চিকিৎসকের সনদ ছাড়া কোনও পশু জবাই করা যাবে না। নিয়ম ভাঙলে কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পশু জবাই নিয়ে নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে বিজেপি সরকার। রাজ্যজুড়ে প্রকাশ্যে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি ছাড়পত্র ছাড়া গরু, ষাঁড়, মহিষ কিংবা অন্য কোনও পশু জবাই করা যাবে না।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারি পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনও পশু জবাই বৈধ হবে না।

নতুন নিয়ম গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর, পুরুষ ও স্ত্রী মহিষ, মহিষের বাছুর এবং খোজা মহিষসহ সব ধরনের পশুর ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। জবাইয়ের আগে সংশ্লিষ্ট পশুর জন্য বিশেষ সনদ নিতে হবে, যেখানে উল্লেখ থাকবে পশুটি জবাইয়ের উপযুক্ত কি না।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পশুটির বয়স ১৪ বছরের বেশি হতে হবে এবং সেটি আর কাজ বা প্রজননের উপযোগী থাকবে না। এছাড়া বার্ধক্য, আঘাত, বিকলাঙ্গতা বা অনিরাময়যোগ্য রোগের কারণে স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়লেও জবাইয়ের অনুমতি মিলতে পারে।

এই সনদ যৌথভাবে দেবেন পৌরসভার চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং সরকারি পশু চিকিৎসক। সনদ দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে আপিল করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অনুমোদন পাওয়া পশু শুধুমাত্র পৌরসভার কসাইখানা বা প্রশাসন নির্ধারিত স্থানে জবাই করা যাবে। খোলা জায়গা কিংবা জনসমাগমস্থলে পশু জবাই পুরোপুরি নিষিদ্ধ থাকবে।

নিয়ম বাস্তবায়নে প্রশাসনের অনুমোদিত কর্মকর্তারা যেকোনও স্থাপনা পরিদর্শন করতে পারবেন। এ কাজে বাধা দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

নতুন বিধিনিষেধ অমান্য করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, এক হাজার রুপি জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। সব ধরনের অপরাধকেই আমলযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পরই এই নতুন নির্দেশনা জারি হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে পশু জবাই নিষিদ্ধ

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে প্রকাশ্যে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে বিজেপি সরকার। নতুন বিধিনিষেধ অনুযায়ী, সরকারি অনুমোদন ও পশু চিকিৎসকের সনদ ছাড়া কোনও পশু জবাই করা যাবে না। নিয়ম ভাঙলে কারাদণ্ড ও জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে পশু জবাই নিয়ে নতুন কড়াকড়ি আরোপ করেছে বিজেপি সরকার। রাজ্যজুড়ে প্রকাশ্যে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই নিষিদ্ধ করা হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি ছাড়পত্র ছাড়া গরু, ষাঁড়, মহিষ কিংবা অন্য কোনও পশু জবাই করা যাবে না।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ সরকার সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারি পশু চিকিৎসকের দেওয়া ফিটনেস সনদ ছাড়া কোনও পশু জবাই বৈধ হবে না।

নতুন নিয়ম গরু, ষাঁড়, বলদ, বাছুর, পুরুষ ও স্ত্রী মহিষ, মহিষের বাছুর এবং খোজা মহিষসহ সব ধরনের পশুর ক্ষেত্রে কার্যকর হবে। জবাইয়ের আগে সংশ্লিষ্ট পশুর জন্য বিশেষ সনদ নিতে হবে, যেখানে উল্লেখ থাকবে পশুটি জবাইয়ের উপযুক্ত কি না।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, পশুটির বয়স ১৪ বছরের বেশি হতে হবে এবং সেটি আর কাজ বা প্রজননের উপযোগী থাকবে না। এছাড়া বার্ধক্য, আঘাত, বিকলাঙ্গতা বা অনিরাময়যোগ্য রোগের কারণে স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে পড়লেও জবাইয়ের অনুমতি মিলতে পারে।

এই সনদ যৌথভাবে দেবেন পৌরসভার চেয়ারম্যান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং সরকারি পশু চিকিৎসক। সনদ দিতে অস্বীকৃতি জানানো হলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ১৫ দিনের মধ্যে রাজ্য সরকারের কাছে আপিল করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, অনুমোদন পাওয়া পশু শুধুমাত্র পৌরসভার কসাইখানা বা প্রশাসন নির্ধারিত স্থানে জবাই করা যাবে। খোলা জায়গা কিংবা জনসমাগমস্থলে পশু জবাই পুরোপুরি নিষিদ্ধ থাকবে।

নিয়ম বাস্তবায়নে প্রশাসনের অনুমোদিত কর্মকর্তারা যেকোনও স্থাপনা পরিদর্শন করতে পারবেন। এ কাজে বাধা দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

নতুন বিধিনিষেধ অমান্য করলে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, এক হাজার রুপি জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে। সব ধরনের অপরাধকেই আমলযোগ্য হিসেবে গণ্য করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ রয়েছে।

এদিকে সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজয়ের পরই এই নতুন নির্দেশনা জারি হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে।