পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগে জামায়াতের প্রতিক্রিয়া
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৬:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
- / 21
একদিনে দেশের ১১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত নিয়ে গভীর উদ্বেগ ও আপত্তি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
গত ১৪ মে একযোগে ১১টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় সরকার দলীয় বিবেচনাকে অগ্রাধিকার দিয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটির মতে, এ ধরনের নিয়োগে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন উপেক্ষিত হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) দেওয়া এক বিবৃতিতে জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, এসব নিয়োগে যোগ্যতা ও নিরপেক্ষতার চেয়ে রাজনৈতিক আনুগত্য বেশি গুরুত্ব পেয়েছে—এমন ধারণা জনমনে তৈরি হচ্ছে।
তিনি আরও ইঙ্গিত করেন, এর আগে জেলা পরিষদ প্রশাসক নিয়োগ নিয়েও দলটি আপত্তি জানিয়েছিল। তার মতে, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের পাশ কাটিয়ে দলীয়ভাবে প্রশাসনিক পদে নিয়োগ দেওয়ার প্রবণতা গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত মুক্ত চিন্তা ও গবেষণার জায়গা। সেখানে পক্ষপাতমূলক নিয়োগ শিক্ষকদের মধ্যে বিভাজন তৈরি করতে পারে এবং শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক একাডেমিক পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
জামায়াত নেতা আরও মন্তব্য করেন, অতীতে শিক্ষা খাতে দলীয় প্রভাব নানা ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছিল—যা নতুন করে ফিরে আসুক, সেটি কেউই চায় না। তার মতে, সাম্প্রতিক নিয়োগগুলো সেই পুরনো প্রবণতারই পুনরাবৃত্তি হতে পারে বলে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বিবৃতির শেষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান এবং এসব নিয়োগ পুনর্বিবেচনার দাবি জানান।


































