যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি নিয়ে জামায়াতকে কিছু জানানো হয়নি: শফিকুর রহমান
- সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
- / 163
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া কোনো চুক্তি নিয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা হয়নি বলে দাবি করেছেন দলটির আমির ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন, স্থানীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ এবং গণভোটের রায় কার্যকরের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন।
রংপুরে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া চুক্তি নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে জামায়াতকে কিছুই জানানো হয়নি। তার ভাষ্য, এ বিষয়ে তৎকালীন সরকারের কেউ দলের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা করেননি।
শুক্রবার বিকেলে রংপুর শিল্পকলা একাডেমিতে মহানগর জামায়াত আয়োজিত সুধী সমাবেশে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমি অত্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে বলছি, তৎকালীন সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একটি শব্দও আলোচনা করা হয়নি।”
তিস্তা মহাপরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পদ্মা ব্যারাজ উদ্যোগকে জামায়াত স্বাগত জানায়। তবে তিস্তার স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে কোনো উন্নয়ন গ্রহণযোগ্য নয়। তার দাবি, তিস্তার ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করে মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, জামায়াত একটি নির্বাচনমুখী রাজনৈতিক দল এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই নেতৃত্ব পরিবর্তনে বিশ্বাস করে। সে কারণে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব পর্যায়ে দল অংশ নেবে।
সাম্প্রতিক উপনির্বাচন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন জামায়াত আমির। শেরপুর ও বগুড়ার নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। তবে জনগণকে নিজেদের ভোটাধিকার রক্ষায় আরও সচেতন ও সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
গণভোটের প্রসঙ্গ টেনে শফিকুর রহমান বলেন, দেশের মানুষ গণভোটের পক্ষে রায় দিলেও সরকার সেটিকে উপেক্ষা করেছে। তার দাবি, গণভোটের রায় বাতিল বা অকার্যকর করার সুযোগ দেওয়া হবে না। এ দাবিতে সংসদ ও রাজপথ—দুই জায়গাতেই আন্দোলন চলবে বলে জানান তিনি।
বর্তমান সরকারের সমালোচনা করে জামায়াত আমির আরও বলেন, গভর্নর পরিবর্তন থেকে শুরু করে বিভিন্ন জেলায় প্রশাসক নিয়োগ—সব ক্ষেত্রেই বিতর্কিত ও প্রত্যাখ্যাত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে বসানো হয়েছে। এতে জনগণের সঙ্গে “তামাশা” করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
































