ঢাকা ০৪:৪৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যেখানে দাফন করা হবে খামেনিকে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
  • / 149

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, খামেনির মরদেহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।

ফারস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনির জানাজা শেষে তাকে তার নিজ শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। এছাড়া, রাজধানী তেহরানে একটি বড় পরিসরের গণশোক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনাও চলছে। আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা জানান, এতে সর্বসাধারণ অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে জানাজা বা স্মরণানুষ্ঠানের তারিখ ও সময় এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

এর আগে, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার সময় খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। হামলায় খামেনি ও তার শীর্ষ সহযোগীরা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলি শামখানি ও ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোর।

ইরানি সূত্র জানিয়েছে, হামলার ঠিক আগে খামেনি শামখানি ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলি লারিজানির সঙ্গে একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যেখানে দাফন করা হবে খামেনিকে

সর্বশেষ আপডেট ১০:৩৩:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় নিহত হয়েছেন। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, খামেনির মরদেহ উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।

ফারস নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনির জানাজা শেষে তাকে তার নিজ শহর মাশহাদে সমাহিত করা হবে। এছাড়া, রাজধানী তেহরানে একটি বড় পরিসরের গণশোক অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনাও চলছে। আয়োজক কমিটির কর্মকর্তারা জানান, এতে সর্বসাধারণ অংশগ্রহণ করতে পারবেন। তবে জানাজা বা স্মরণানুষ্ঠানের তারিখ ও সময় এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

এর আগে, গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ভোরে ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার সময় খামেনি তার শীর্ষ উপদেষ্টাদের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন। হামলায় খামেনি ও তার শীর্ষ সহযোগীরা নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছিলেন সাবেক ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলি শামখানি ও ইসলামিক রেভোল্যুশনারি গার্ড কর্পসের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপোর।

ইরানি সূত্র জানিয়েছে, হামলার ঠিক আগে খামেনি শামখানি ও সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল সচিব আলি লারিজানির সঙ্গে একটি সুরক্ষিত স্থানে বৈঠক করছিলেন।