ঢাকা ০৯:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়া সরকারের আতিথিয়তায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 8

স্বল্প সময়ের মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে দেশটির আতিথেয়তা ও উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকে তিনি দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে নতুনভাবে দেখার একটি সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মালয়েশিয়ায় প্রায় ১৮ ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত অবস্থান শেষে তিনি জানান, এই সফর তার জন্য শুধু আনুষ্ঠানিকতা ছিল না, বরং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বাস্তব অগ্রগতি বোঝার একটি পর্বও বটে। সফর শেষেই তিনি মালয়েশিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি বার্তা পাঠান, যা পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ করে।

বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার স্ত্রী ড. ওয়ান আজিজা বিনতি ওয়ান ইসমাইলের আন্তরিক আতিথেয়তায় গভীরভাবে অভিভূত। তার ভাষায়, মালয়েশিয়ার সরকার ও জনগণের আচরণ ছিল আন্তরিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করায় বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, এই সম্পর্ক নতুন নয়। তার ভাষায়, “আমার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আমার মা বেগম খালেদা জিয়ার সময় থেকেই এই বন্ধন বহু দশক ধরে গড়ে উঠেছে।” মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনি সুলতান ইস্কান্দারের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাওয়াকেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এবং এজন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

সফরের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তাৎপর্য প্রসঙ্গে তিনি জানান, বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বিশেষ করে মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগের যে ধারাবাহিকতা দুই দেশের মধ্যে রয়েছে, সেটিকে তিনি সম্পর্কের অন্যতম শক্ত ভিত্তি হিসেবে দেখেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মালয়েশিয়া সরকারের আতিথিয়তায় কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

স্বল্প সময়ের মালয়েশিয়া সফর শেষে চীনের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার আগে দেশটির আতিথেয়তা ও উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকে তিনি দুই দেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে নতুনভাবে দেখার একটি সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন।

মালয়েশিয়ায় প্রায় ১৮ ঘণ্টার সংক্ষিপ্ত অবস্থান শেষে তিনি জানান, এই সফর তার জন্য শুধু আনুষ্ঠানিকতা ছিল না, বরং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বাস্তব অগ্রগতি বোঝার একটি পর্বও বটে। সফর শেষেই তিনি মালয়েশিয়া সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি বার্তা পাঠান, যা পরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রকাশ করে।

বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানসহ তিনি মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম ও তার স্ত্রী ড. ওয়ান আজিজা বিনতি ওয়ান ইসমাইলের আন্তরিক আতিথেয়তায় গভীরভাবে অভিভূত। তার ভাষায়, মালয়েশিয়ার সরকার ও জনগণের আচরণ ছিল আন্তরিক এবং বন্ধুত্বপূর্ণ, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও দৃঢ় ভিত্তির ওপর দাঁড় করায় বলে তিনি মনে করেন।

তিনি আরও বলেন, এই সম্পর্ক নতুন নয়। তার ভাষায়, “আমার বাবা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আমার মা বেগম খালেদা জিয়ার সময় থেকেই এই বন্ধন বহু দশক ধরে গড়ে উঠেছে।” মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনি সুলতান ইস্কান্দারের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পাওয়াকেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন এবং এজন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

সফরের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক তাৎপর্য প্রসঙ্গে তিনি জানান, বাংলাদেশ মালয়েশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপাক্ষিক সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে থাকে। বিশেষ করে মানুষের সঙ্গে মানুষের যোগাযোগের যে ধারাবাহিকতা দুই দেশের মধ্যে রয়েছে, সেটিকে তিনি সম্পর্কের অন্যতম শক্ত ভিত্তি হিসেবে দেখেন।