ঢাকা ১২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৪২ ফুট খননেও খোঁজ মিলছে না শিশু সাজিদের

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 182

৪২ ফুট খননেও খোঁজ মিলছে না শিশু সাজিদের

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ৪২ ফুট পর্যন্ত খনন করেও শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ২০ মিনিটে খনন শেষে উদ্ধারকর্মীরা উপরে ওঠেন।

ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, এখন পর্যন্ত পাওয়া না গেলেও উদ্ধার অভিযান বন্ধ হচ্ছে না। তিনি বলেন, “যদি শিশুটি মাটির ১০০ ফুট নিচেও থাকে, আমাদের এভাবেই চালিয়ে যেতে হবে।”

বুধবার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে ৮ ফুট ব্যাসের একটি সরু বোরিং পাইপে পড়ে যায় সাজিদ। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সরু গর্তের পাশেই বড় একটি গর্ত খনন করে দুইটি যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়, তবে তাতেও শিশুটির কোনো সন্ধান মেলেনি।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম বলেন, “সাজিদকে না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান থামবে না। সক্ষমতা এখানে প্রশ্ন নয়।”

স্থানীয়রা জানান, পচন্দর ইউনিয়নের এই এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে এবং নতুন করে গভীর নলকূপ বসানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও কোয়েলহাটের কছির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি পানি পাওয়া যায় কি না যাচাই করতে গর্তটি খনন করেছিলেন। পরে তিনি সেটি ভরাট করলেও বর্ষায় মাটি বসে গিয়ে আবার গর্ত তৈরি হয়—সেই গর্তেই পড়ে যায় সাজিদ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

৪২ ফুট খননেও খোঁজ মিলছে না শিশু সাজিদের

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৩৯:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজশাহীর তানোর উপজেলায় পরিত্যক্ত একটি গভীর নলকূপের গর্তে পড়ে যাওয়া শিশু সাজিদের সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। ফায়ার সার্ভিস ৪২ ফুট পর্যন্ত খনন করেও শিশুটির অবস্থান শনাক্ত করতে পারেনি। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দুপুর ১টা ২০ মিনিটে খনন শেষে উদ্ধারকর্মীরা উপরে ওঠেন।

ফায়ার সার্ভিসের অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স বিভাগের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী জানান, এখন পর্যন্ত পাওয়া না গেলেও উদ্ধার অভিযান বন্ধ হচ্ছে না। তিনি বলেন, “যদি শিশুটি মাটির ১০০ ফুট নিচেও থাকে, আমাদের এভাবেই চালিয়ে যেতে হবে।”

বুধবার কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামে ৮ ফুট ব্যাসের একটি সরু বোরিং পাইপে পড়ে যায় সাজিদ। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সরু গর্তের পাশেই বড় একটি গর্ত খনন করে দুইটি যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়, তবে তাতেও শিশুটির কোনো সন্ধান মেলেনি।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম বলেন, “সাজিদকে না পাওয়া পর্যন্ত আমাদের অভিযান থামবে না। সক্ষমতা এখানে প্রশ্ন নয়।”

স্থানীয়রা জানান, পচন্দর ইউনিয়নের এই এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক নিচে নেমে গেছে এবং নতুন করে গভীর নলকূপ বসানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তারপরও কোয়েলহাটের কছির উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি পানি পাওয়া যায় কি না যাচাই করতে গর্তটি খনন করেছিলেন। পরে তিনি সেটি ভরাট করলেও বর্ষায় মাটি বসে গিয়ে আবার গর্ত তৈরি হয়—সেই গর্তেই পড়ে যায় সাজিদ।