ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:০২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 44

১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

বাংলাদেশ মান অনুযায়ী নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় বম্বে সুইটসের পাঁচ ধরনের মসলা, বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। একই সঙ্গে এসব পণ্যের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নিম্নমানের প্রমাণিত এসব পণ্য না কিনতে ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছে বিএসটিআই।

নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য সংগ্রহ করে বিএসটিআইয়ের নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ঘি, বাটার অয়েল ও মসলার নির্ধারিত মানে ঘাটতি পাওয়া যায়।

পরীক্ষায় বাঘাবাড়ি ব্র্যান্ডের ঘিতে দুধের চর্বি বা মিল্ক ফ্যাট পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিএসটিআই। পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে সেটি ‘ঘি’ হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছিল বলে পরীক্ষায় উঠে এসেছে।

অন্যদিকে বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের কারি পাউডার, হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলায় বাংলাদেশ মানের তুলনায় মোট অ্যাশ ও লবণের মাত্রা বেশি পাওয়া গেছে। ফলে এসব পণ্য পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়।

এ ছাড়া বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ি’ ঘি, কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টসের ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ঘি, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘নিউ রাঁধুনী’ ও ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েলও মান পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।

এসব পণ্যের ক্ষেত্রে রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু ও পলেন্সকে ভ্যালুসহ বিভিন্ন নির্ধারিত মানদণ্ডে ত্রুটি পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জাতীয় মান অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা প্রতিটি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বলেন, মান সনদ দেওয়ার পাশাপাশি নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বিএসটিআই।

পণ্য কেনার আগে মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং পণ্যের উপাদানসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা বা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার নিয়ে অভিযোগ থাকলে হটলাইন ১৬১১৯ অথবা dg@bsti.gov.bd-এ জানাতে অনুরোধ করেছে সংস্থাটি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

১০ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের

সর্বশেষ আপডেট ০৪:০২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

বাংলাদেশ মান অনুযায়ী নির্ধারিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারায় বম্বে সুইটসের পাঁচ ধরনের মসলা, বাঘাবাড়ি ঘিসহ ১০টি পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। একই সঙ্গে এসব পণ্যের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

নিম্নমানের প্রমাণিত এসব পণ্য না কিনতে ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছে বিএসটিআই।

নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য সংগ্রহ করে বিএসটিআইয়ের নিজস্ব ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। এতে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ঘি, বাটার অয়েল ও মসলার নির্ধারিত মানে ঘাটতি পাওয়া যায়।

পরীক্ষায় বাঘাবাড়ি ব্র্যান্ডের ঘিতে দুধের চর্বি বা মিল্ক ফ্যাট পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে বিএসটিআই। পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে সেটি ‘ঘি’ হিসেবে বাজারজাত করা হচ্ছিল বলে পরীক্ষায় উঠে এসেছে।

অন্যদিকে বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের কারি পাউডার, হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালা ভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলায় বাংলাদেশ মানের তুলনায় মোট অ্যাশ ও লবণের মাত্রা বেশি পাওয়া গেছে। ফলে এসব পণ্য পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়।

এ ছাড়া বাঘাবাড়ি প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ি’ ঘি, কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টসের ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ঘি, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘নিউ রাঁধুনী’ ও ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েলও মান পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়েছে।

এসব পণ্যের ক্ষেত্রে রিফ্র্যাক্টিভ ইনডেক্স, আয়োডিন ভ্যালু, স্যাপোনিফিকেশন ভ্যালু ও পলেন্সকে ভ্যালুসহ বিভিন্ন নির্ধারিত মানদণ্ডে ত্রুটি পাওয়া গেছে।

বিএসটিআই মহাপরিচালক (সচিব) কাজী ইমদাদুল হক বলেন, জাতীয় মান অনুযায়ী পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করা প্রতিটি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানের আইনগত ও নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

তিনি বলেন, মান সনদ দেওয়ার পাশাপাশি নকল ও ভেজাল পণ্য প্রতিরোধে নিয়মিত সার্ভিল্যান্স কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বিএসটিআই।

পণ্য কেনার আগে মানচিহ্ন, লাইসেন্স নম্বর, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ এবং পণ্যের উপাদানসহ প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই করতে ভোক্তাদের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

কোনো পণ্যের মান, ভেজাল, প্রতারণা বা বিএসটিআইয়ের মানচিহ্নের অপব্যবহার নিয়ে অভিযোগ থাকলে হটলাইন ১৬১১৯ অথবা dg@bsti.gov.bd-এ জানাতে অনুরোধ করেছে সংস্থাটি।