ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দলিল লিখকের বিরুদ্ধে জমি বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, চরফ্যাশন (ভোলা)
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
  • / 9

দলিল লিখকের বিরুদ্ধে জমি বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ভোলার চরফ্যাশনে জমি বিক্রির টাকা থেকে ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ফখর উদ্দিন নামে এক দলিল লিখকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার চরফ্যাশন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার হালিমাবাদ গ্রামের মো. আব্দুল হালিম ওরফে মনির।

অভিযোগ ও বাদীর বক্তব্য অনুযায়ী, হালিম তার মায়ের মালিকানাধীন ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ জমি দুলাল নামে এক ব্যক্তির কাছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন। দলিল লিখক ফখর উদ্দিনের মাধ্যমে জমিটির দলিল সম্পাদন করা হয়।

অভিযোগে হালিম বলেন, জমির ক্রেতা দুলাল পুরো ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা দলিল লিখক ফখর উদ্দিনের কাছে পরিশোধ করেন। পরে ফখর উদ্দিন তাকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দেন। বাকি ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা চাইলে এর মধ্যে ৭ হাজার টাকা পাওয়ার দলিলের খরচ এবং ৩০ হাজার ৫০০ টাকা সাব-রেজিস্ট্রারকে দেওয়ার জন্য ব্যয় হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে দলিল লিখকের এ দাবি অস্বীকার করেছেন চরফ্যাশন সাব-রেজিস্ট্রার মো. কাওছার খান। তিনি বলেন, পাওয়ার দলিলের সরকারি খরচ ৯২০ টাকা। ৩০ হাজার ৫০০ টাকা সাব-রেজিস্ট্রারকে এবং ৭ হাজার টাকা পাওয়ার দলিলের খরচ হিসেবে দেওয়া হয়েছে; এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

সাব-রেজিস্ট্রার আরও বলেন, জমি বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে দলিল লিখক ফখর উদ্দিন দাবি করেন, পাওয়ার দলিলের কাজে চরফ্যাশন ও মনপুরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মোট ১৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বাকি টাকা তিনি দলিল লেখার পারিশ্রমিক হিসেবে রেখেছেন।

তবে এ খরচের পক্ষে কোনো রসিদ দেখাতে পারেননি তিনি। রসিদ না থাকার বিষয়ে ফখর উদ্দিন বলেন, এসব খরচের রসিদ দেওয়া হয় না।

চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, দলিল লিখকের বিরুদ্ধে ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দলিল লিখকের বিরুদ্ধে জমি বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

সর্বশেষ আপডেট ০৪:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬

ভোলার চরফ্যাশনে জমি বিক্রির টাকা থেকে ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে ফখর উদ্দিন নামে এক দলিল লিখকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার চরফ্যাশন থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন উপজেলার হালিমাবাদ গ্রামের মো. আব্দুল হালিম ওরফে মনির।

অভিযোগ ও বাদীর বক্তব্য অনুযায়ী, হালিম তার মায়ের মালিকানাধীন ১৪ দশমিক ৪৮ শতাংশ জমি দুলাল নামে এক ব্যক্তির কাছে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেন। দলিল লিখক ফখর উদ্দিনের মাধ্যমে জমিটির দলিল সম্পাদন করা হয়।

অভিযোগে হালিম বলেন, জমির ক্রেতা দুলাল পুরো ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫০০ টাকা দলিল লিখক ফখর উদ্দিনের কাছে পরিশোধ করেন। পরে ফখর উদ্দিন তাকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা দেন। বাকি ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা চাইলে এর মধ্যে ৭ হাজার টাকা পাওয়ার দলিলের খরচ এবং ৩০ হাজার ৫০০ টাকা সাব-রেজিস্ট্রারকে দেওয়ার জন্য ব্যয় হয়েছে বলে জানান তিনি।

তবে দলিল লিখকের এ দাবি অস্বীকার করেছেন চরফ্যাশন সাব-রেজিস্ট্রার মো. কাওছার খান। তিনি বলেন, পাওয়ার দলিলের সরকারি খরচ ৯২০ টাকা। ৩০ হাজার ৫০০ টাকা সাব-রেজিস্ট্রারকে এবং ৭ হাজার টাকা পাওয়ার দলিলের খরচ হিসেবে দেওয়া হয়েছে; এমন দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা।

সাব-রেজিস্ট্রার আরও বলেন, জমি বিক্রির টাকা আত্মসাতের অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের বিষয়ে দলিল লিখক ফখর উদ্দিন দাবি করেন, পাওয়ার দলিলের কাজে চরফ্যাশন ও মনপুরা সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মোট ১৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বাকি টাকা তিনি দলিল লেখার পারিশ্রমিক হিসেবে রেখেছেন।

তবে এ খরচের পক্ষে কোনো রসিদ দেখাতে পারেননি তিনি। রসিদ না থাকার বিষয়ে ফখর উদ্দিন বলেন, এসব খরচের রসিদ দেওয়া হয় না।

চরফ্যাশন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া বলেন, দলিল লিখকের বিরুদ্ধে ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।