ঢাকা ০২:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সুকান্ত জন্মশতবর্ষ উদযাপন করল উদীচী

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 6

সুকান্ত জন্মশতবর্ষ উদযাপন করল উদীচী

সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা একদিকে যেমন সাহিত্যের দায় বহন করেছে, অন্যদিকে তেমনি সমাজ, রাজনীতি ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামেও ভূমিকা রেখেছে। ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং মহাযুদ্ধের বিভীষিকাময় সময়ে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের সংগ্রামের সঙ্গে একাত্ম ছিলেন তিনি। বক্তারা বলেন, সময় বদলালেও মানুষের মৌলিক সংকটগুলো এখনো রয়ে গেছে। তাই সুকান্তের সাহিত্য আজও প্রাসঙ্গিক।

‘বন্ধু আজকে দোদুল্যমান পৃথ্বী, আমরা গঠন করবো নতুন ভিত্তি’; এই স্লোগান সামনে রেখে সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আলোচনা পর্বে সভাপতিত্ব করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম। আলোচনায় অংশ নেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, সহসাধারণ সম্পাদক প্রদীপ ঘোষ, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এম আকাশ, লেখক-গবেষক ও প্রাবন্ধিক মামুন সিদ্দিকী এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবুল খায়ের। আলোচনা পর্ব সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক সঙ্গীতা ইমাম।

বক্তারা বলেন, মাত্র ছয়-সাত বছরের সাহিত্যজীবনেই সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কবিতায় এমন প্রভাব তৈরি করেছেন, যা কয়েক দশক ধরে পাঠককে অনুপ্রাণিত করে আসছে। তাঁর কবিতায় ফ্যাসিবাদ ও ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পাশাপাশি শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামের প্রতিফলন ঘটেছে।

তারা বলেন, সুকান্তের কবিতার সময়কাল ছিল ফ্যাসিবিরোধী যুদ্ধ, ফ্যাসিবাদের পরাজয়, ঔপনিবেশিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি, নৌবাহিনীর বিদ্রোহ এবং শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময়। একই সময়ে কলকাতা ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গারও সাক্ষী হয়েছিল। এসব রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা তাঁর সাহিত্যকর্মে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল।

উদীচীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুর প্রায় আট দশক পরও বাংলাদেশের মানুষের সামনে বৈষম্য, বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্যের চাপ, শ্রমজীবী মানুষের অনিশ্চয়তা, কৃষকের ন্যায্য মূল্য না পাওয়া, দুর্নীতি, ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন, সামাজিক অবিচার ও পরিবেশগত সংকটের মতো মৌলিক সমস্যাগুলো রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মানুষ গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন সমাজের প্রত্যাশা করেছিল। তবে সেই প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধানও স্পষ্ট হয়েছে। রাজনৈতিক পরিবর্তন তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসে, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য কমায়।

অমিত রঞ্জন দে আরও বলেন, কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন মানুষের কাঙ্ক্ষিত সামাজিক পরিবর্তন নিশ্চিত করতে পারে না। এ জায়গাতেই সুকান্ত আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ মানুষের জীবনের পরিবর্তনকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র বা উন্নয়নের অর্থ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তার ঘরে খাবার থাকে, শ্রমের ন্যায্য মূল্য থাকে, সন্তান নিরাপদে বেড়ে ওঠে এবং সে মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারে।

উদীচীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম বলেন, মানুষের নানা সংগ্রাম ও আন্দোলনে সুকান্ত আজও পাশে আছেন। তাঁর তীক্ষ্ণ কবিতা ও গানের মাধ্যমে তিনি যেন অসংখ্য সুকান্ত হয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন। যেখানেই সংগ্রাম ও যুদ্ধ, সেখানেই সুকান্তের উপস্থিতি রয়েছে।

আলোচনা পর্ব শেষে সুকান্ত ভট্টাচার্যের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদ, ঢাকা মহানগর সংসদসহ বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা। এ সময় শত প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়। পরে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি বেলায়েত হোসেন সুকান্তের ‘ছাড়পত্র’ কবিতাটি শপথ হিসেবে পাঠ করান।

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে সুকান্তের লেখা ‘অবাক পৃথিবী’ গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে ধৃতি নর্তনালয়। দলটির পরিচালনায় ছিলেন ওয়ার্দা রিহাব।

উদীচী কেন্দ্রীয় সঙ্গীত বিভাগের শিল্পীরা পরিবেশন করেন সমবেত সংগীত; ‘হে মহামানব একবার এসো ফিরে’, ‘হে সাথী আজকে স্বপ্নের দিন গোনা’ এবং ‘হিমালয় থেকে সুন্দরবন হঠাৎ বাংলাদেশ’।

এ ছাড়া একক সংগীত পরিবেশন করেন অলক দাশগুপ্ত, জয়া সেনগুপ্তা, শাওন কুমার রায়, সরস্বতী সরকার ও বিজয় বণিক।

উদীচী কেন্দ্রীয় আবৃত্তি বিভাগের শিল্পীরা ‘বন্ধু আজকে দোদুল্যমান পৃথ্বী, আমরা গঠন করবো নতুন ভিত্তি’ শিরোনামে সম্মেলক আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এর পরিকল্পনায় ছিলেন বেলায়েত হোসেন এবং নির্দেশনায় শিখা সেনগুপ্তা। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন মো. মাসুদুজ্জামান, শিখা সেনগুপ্তা ও সুমিত পাল।

এ ছাড়া স্রোত আবৃত্তি সংসদ বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে। সাংস্কৃতিক পর্ব সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ মিতা রায় ও সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য শেখ আনিসুর রহমান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সুকান্ত জন্মশতবর্ষ উদযাপন করল উদীচী

সর্বশেষ আপডেট ০১:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতা একদিকে যেমন সাহিত্যের দায় বহন করেছে, অন্যদিকে তেমনি সমাজ, রাজনীতি ও মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামেও ভূমিকা রেখেছে। ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং মহাযুদ্ধের বিভীষিকাময় সময়ে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে সাধারণ মানুষের প্রতিদিনের সংগ্রামের সঙ্গে একাত্ম ছিলেন তিনি। বক্তারা বলেন, সময় বদলালেও মানুষের মৌলিক সংকটগুলো এখনো রয়ে গেছে। তাই সুকান্তের সাহিত্য আজও প্রাসঙ্গিক।

‘বন্ধু আজকে দোদুল্যমান পৃথ্বী, আমরা গঠন করবো নতুন ভিত্তি’; এই স্লোগান সামনে রেখে সুকান্ত ভট্টাচার্যের জন্মশতবর্ষ উদযাপন করেছে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে আলোচনা পর্বে সভাপতিত্ব করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম। আলোচনায় অংশ নেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে, সহসাধারণ সম্পাদক প্রদীপ ঘোষ, বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক এম এম আকাশ, লেখক-গবেষক ও প্রাবন্ধিক মামুন সিদ্দিকী এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবুল খায়ের। আলোচনা পর্ব সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসাধারণ সম্পাদক সঙ্গীতা ইমাম।

বক্তারা বলেন, মাত্র ছয়-সাত বছরের সাহিত্যজীবনেই সুকান্ত ভট্টাচার্য বাংলা কবিতায় এমন প্রভাব তৈরি করেছেন, যা কয়েক দশক ধরে পাঠককে অনুপ্রাণিত করে আসছে। তাঁর কবিতায় ফ্যাসিবাদ ও ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের পাশাপাশি শ্রমজীবী ও সাধারণ মানুষের জীবনসংগ্রামের প্রতিফলন ঘটেছে।

তারা বলেন, সুকান্তের কবিতার সময়কাল ছিল ফ্যাসিবিরোধী যুদ্ধ, ফ্যাসিবাদের পরাজয়, ঔপনিবেশিক শাসনবিরোধী আন্দোলনের তীব্রতা বৃদ্ধি, নৌবাহিনীর বিদ্রোহ এবং শ্রমিকদের ধর্মঘটের সময়। একই সময়ে কলকাতা ভয়াবহ সাম্প্রদায়িক দাঙ্গারও সাক্ষী হয়েছিল। এসব রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা তাঁর সাহিত্যকর্মে গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছিল।

উদীচীর সাধারণ সম্পাদক অমিত রঞ্জন দে বলেন, সুকান্ত ভট্টাচার্যের মৃত্যুর প্রায় আট দশক পরও বাংলাদেশের মানুষের সামনে বৈষম্য, বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্যের চাপ, শ্রমজীবী মানুষের অনিশ্চয়তা, কৃষকের ন্যায্য মূল্য না পাওয়া, দুর্নীতি, ক্ষমতার কেন্দ্রীভবন, সামাজিক অবিচার ও পরিবেশগত সংকটের মতো মৌলিক সমস্যাগুলো রয়ে গেছে।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মানুষ গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন সমাজের প্রত্যাশা করেছিল। তবে সেই প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে ব্যবধানও স্পষ্ট হয়েছে। রাজনৈতিক পরিবর্তন তখনই অর্থবহ হয়, যখন তা মানুষের জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনে, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে জবাবদিহির আওতায় নিয়ে আসে, নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করে এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য কমায়।

অমিত রঞ্জন দে আরও বলেন, কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন মানুষের কাঙ্ক্ষিত সামাজিক পরিবর্তন নিশ্চিত করতে পারে না। এ জায়গাতেই সুকান্ত আজও প্রাসঙ্গিক। কারণ মানুষের জীবনের পরিবর্তনকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ক্ষুধার্ত মানুষের কাছে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র বা উন্নয়নের অর্থ তখনই পূর্ণতা পায়, যখন তার ঘরে খাবার থাকে, শ্রমের ন্যায্য মূল্য থাকে, সন্তান নিরাপদে বেড়ে ওঠে এবং সে মর্যাদার সঙ্গে বাঁচতে পারে।

উদীচীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহমুদ সেলিম বলেন, মানুষের নানা সংগ্রাম ও আন্দোলনে সুকান্ত আজও পাশে আছেন। তাঁর তীক্ষ্ণ কবিতা ও গানের মাধ্যমে তিনি যেন অসংখ্য সুকান্ত হয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন। যেখানেই সংগ্রাম ও যুদ্ধ, সেখানেই সুকান্তের উপস্থিতি রয়েছে।

আলোচনা পর্ব শেষে সুকান্ত ভট্টাচার্যের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদ, ঢাকা মহানগর সংসদসহ বিভিন্ন শাখার নেতাকর্মীরা। এ সময় শত প্রদীপ প্রজ্বালন করা হয়। পরে উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি বেলায়েত হোসেন সুকান্তের ‘ছাড়পত্র’ কবিতাটি শপথ হিসেবে পাঠ করান।

অনুষ্ঠানের সাংস্কৃতিক পর্বে সুকান্তের লেখা ‘অবাক পৃথিবী’ গানের সঙ্গে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে ধৃতি নর্তনালয়। দলটির পরিচালনায় ছিলেন ওয়ার্দা রিহাব।

উদীচী কেন্দ্রীয় সঙ্গীত বিভাগের শিল্পীরা পরিবেশন করেন সমবেত সংগীত; ‘হে মহামানব একবার এসো ফিরে’, ‘হে সাথী আজকে স্বপ্নের দিন গোনা’ এবং ‘হিমালয় থেকে সুন্দরবন হঠাৎ বাংলাদেশ’।

এ ছাড়া একক সংগীত পরিবেশন করেন অলক দাশগুপ্ত, জয়া সেনগুপ্তা, শাওন কুমার রায়, সরস্বতী সরকার ও বিজয় বণিক।

উদীচী কেন্দ্রীয় আবৃত্তি বিভাগের শিল্পীরা ‘বন্ধু আজকে দোদুল্যমান পৃথ্বী, আমরা গঠন করবো নতুন ভিত্তি’ শিরোনামে সম্মেলক আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এর পরিকল্পনায় ছিলেন বেলায়েত হোসেন এবং নির্দেশনায় শিখা সেনগুপ্তা। একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন মো. মাসুদুজ্জামান, শিখা সেনগুপ্তা ও সুমিত পাল।

এ ছাড়া স্রোত আবৃত্তি সংসদ বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে। সাংস্কৃতিক পর্ব সঞ্চালনা করেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত কোষাধ্যক্ষ মিতা রায় ও সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য শেখ আনিসুর রহমান।