ঢাকা ১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি: এনজিসিএএফ

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১৫:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬
  • / 64

দ্রুত বিচার ও খুনির সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে খুনি সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম (এনজিসিএএফ)।

শনিবার (২৩ মে) দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সংগঠনটি এই পৈশাচিক ঘটনার দ্রুত রায় নিশ্চিত করতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের আহ্বান জানায়। একই সাথে দেশজুড়ে নারী ও শিশুদের ওপর চলমান সহিংসতা বন্ধে একটি পৃথক ‘শিশু অধিদপ্তর’ গঠন এবং ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ দ্রুত পাসের জোরালো দাবি তোলা হয়েছে।

দেশে একের পর এক শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সামাজিক নিরাপত্তা এখন এক চরম সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি না হওয়া এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই মূলত এই ধরণের জঘন্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে মনে করছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

মূলত রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি শিরোনামের এই বিবৃতিতে অপরাধ দমনে সরকারের সদিচ্ছা বাস্তবায়নে আইন মন্ত্রণালয়কে আরও তৎপর হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংগঠনটি রামিসা হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেফতার করায় পুলিশ বাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে।

মামলার আইনি ভিত্তি মজবুত করতে এবং আদালতের ডকে অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছেন ফোরামের নেতৃবৃন্দ। বর্তমানে রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানানোর পাশাপাশি তারা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতে আনুষ্ঠানিক চার্জশিট দাখিল করার জন্য জোর দাবি তুলেছেন。যেহেতু আসামি নিজে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে, তাই ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় তার ফাঁসি হওয়া এখন সময়ের দাবি।

ফোরামের নিয়মিত মিডিয়া মনিটরিং সেল থেকে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসের নারী ও শিশু নির্যাতনের একটি হাড়হিম করা পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমানে রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি সংবলিত এই নথিতে দেখা যায় যে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ মে পর্যন্ত দেশে ৫৪ জন কন্যাশিশুসহ মোট ১৩৮ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি: এনজিসিএএফ

সর্বশেষ আপডেট ১১:১৫:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

রাজধানীর পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গভীর ক্ষোভ প্রকাশ করে খুনি সোহেল রানার সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছে জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম (এনজিসিএএফ)।

শনিবার (২৩ মে) দেওয়া এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে সংগঠনটি এই পৈশাচিক ঘটনার দ্রুত রায় নিশ্চিত করতে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠনের আহ্বান জানায়। একই সাথে দেশজুড়ে নারী ও শিশুদের ওপর চলমান সহিংসতা বন্ধে একটি পৃথক ‘শিশু অধিদপ্তর’ গঠন এবং ‘যৌন হয়রানি প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন’ দ্রুত পাসের জোরালো দাবি তোলা হয়েছে।

দেশে একের পর এক শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের ঘটনা বৃদ্ধি পাওয়ায় সামাজিক নিরাপত্তা এখন এক চরম সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত শাস্তি না হওয়া এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণেই মূলত এই ধরণের জঘন্য অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটছে বলে মনে করছেন মানবাধিকার কর্মীরা।

মূলত রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি শিরোনামের এই বিবৃতিতে অপরাধ দমনে সরকারের সদিচ্ছা বাস্তবায়নে আইন মন্ত্রণালয়কে আরও তৎপর হওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংগঠনটি রামিসা হত্যাকাণ্ডের মাত্র ১২ ঘণ্টার মধ্যে মূল আসামিকে গ্রেফতার করায় পুলিশ বাহিনীকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছে।

মামলার আইনি ভিত্তি মজবুত করতে এবং আদালতের ডকে অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপনের জন্য পুলিশ প্রশাসনের কাছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন চেয়েছেন ফোরামের নেতৃবৃন্দ। বর্তমানে রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি জানানোর পাশাপাশি তারা আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আদালতে আনুষ্ঠানিক চার্জশিট দাখিল করার জন্য জোর দাবি তুলেছেন。যেহেতু আসামি নিজে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে, তাই ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় তার ফাঁসি হওয়া এখন সময়ের দাবি।

ফোরামের নিয়মিত মিডিয়া মনিটরিং সেল থেকে চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসের নারী ও শিশু নির্যাতনের একটি হাড়হিম করা পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমানে রামিসা হত্যার দ্রুত বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের দাবি সংবলিত এই নথিতে দেখা যায় যে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ মে পর্যন্ত দেশে ৫৪ জন কন্যাশিশুসহ মোট ১৩৮ জন নারী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন।