ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চেয়ে পায়নি ইসরায়েল

অন্তার্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • / 9

ট্রাম্প ও নেতা নিয়াহু

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত সমঝোতা চুক্তির খসড়া পর্যালোচনার জন্য ওয়াশিংটনের কাছে ইসরায়েল অনুরোধ জানালেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর ফলে আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে সই হতে যাওয়া চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু এখনও ইসরায়েলের অজানা বলে জানা গেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সমঝোতা স্মারকটি পর্যালোচনার সুযোগ চাইলেও ওয়াশিংটন তাতে সাড়া দেয়নি।

তবে এই প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে ভিন্ন তথ্যও সামনে এসেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র আনাদোলুকে জানিয়েছেন, তেল আবিব যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকদের কাছে আদতে এ ধরনের কোনো অনুরোধই জানায়নি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা চ্যানেল ১২-এর এই প্রতিবেদনটিকে সম্পূর্ণ ‘ভুল’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, পুরো আলোচনা প্রক্রিয়াজুড়ে ইসরায়েলসহ আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও যোগাযোগ বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি সমঝোতা স্মারকের প্রতিটি শব্দ নিজে পর্যালোচনা করবেন, তবে নথিটির বিষয়বস্তু কবে নাগাদ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

এখনও পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান—কোনো পক্ষই এই সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করেনি। তবে ইরানি গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, এই চুক্তিতে মোট ১৪টি ধারা রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, ইরানের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান পুনর্গঠনের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তিটি সই হওয়ার পরপরই হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরান চুক্তির খসড়া দেখতে চেয়ে পায়নি ইসরায়েল

সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত সমঝোতা চুক্তির খসড়া পর্যালোচনার জন্য ওয়াশিংটনের কাছে ইসরায়েল অনুরোধ জানালেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলুর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। এর ফলে আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে সই হতে যাওয়া চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বিষয়বস্তু এখনও ইসরায়েলের অজানা বলে জানা গেছে। ইসরায়েলি গণমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইসরায়েলি কর্মকর্তারা সমঝোতা স্মারকটি পর্যালোচনার সুযোগ চাইলেও ওয়াশিংটন তাতে সাড়া দেয়নি।

তবে এই প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে ভিন্ন তথ্যও সামনে এসেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র আনাদোলুকে জানিয়েছেন, তেল আবিব যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকদের কাছে আদতে এ ধরনের কোনো অনুরোধই জানায়নি। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা চ্যানেল ১২-এর এই প্রতিবেদনটিকে সম্পূর্ণ ‘ভুল’ বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর দাবি, পুরো আলোচনা প্রক্রিয়াজুড়ে ইসরায়েলসহ আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় ও যোগাযোগ বজায় রেখেছে ওয়াশিংটন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি সমঝোতা স্মারকের প্রতিটি শব্দ নিজে পর্যালোচনা করবেন, তবে নথিটির বিষয়বস্তু কবে নাগাদ জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে সে বিষয়ে কোনো তথ্য দেওয়া হয়নি।

এখনও পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র বা ইরান—কোনো পক্ষই এই সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ প্রকাশ করেনি। তবে ইরানি গণমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, এই চুক্তিতে মোট ১৪টি ধারা রয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার, ইরানের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, জব্দ থাকা ইরানি সম্পদ মুক্ত করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরান পুনর্গঠনের একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার সুইজারল্যান্ডে চুক্তিটি সই হওয়ার পরপরই হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।