ঢাকা ১২:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যে কারণে ট্রাইবুনালে আসতে চাই না সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 68

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাজিরা ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয় সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের ক্ষেত্রে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ট্রাইব্যুনালে যেতে অস্বীকৃতি জানালেও শেষ পর্যন্ত প্রসিকিউশনের নির্দেশে তাকে হাজির করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা কামরুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনালে আনার চেষ্টা করা হয়। তবে শুরুতে তিনি যেতে অস্বীকৃতি জানান বলে জানা গেছে। এতে পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও চিফ প্রসিকিউটরের কাছে জানায় কারা কর্তৃপক্ষ। কারণ ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও তা গ্রহণযোগ্য হয়নি বলে দাবি প্রসিকিউশনের। এরপর মৌখিক নির্দেশে দ্রুত তাকে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রায় দুই ঘণ্টা পর শেষ পর্যন্ত সাবেক এই মন্ত্রীকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। তিনি বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবেও পরিচিত।

মামলাটি ঘিরে আগেই কয়েক দফা শুনানি হয়েছে। প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগও আনা হয়েছে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষ দাবি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি প্রসিকিউশন, তাই অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ মামলার পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যে কারণে ট্রাইবুনালে আসতে চাই না সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলাম

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৫:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় হাজিরা ঘিরে উত্তেজনা তৈরি হয় সাবেক মন্ত্রী কামরুল ইসলামের ক্ষেত্রে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ট্রাইব্যুনালে যেতে অস্বীকৃতি জানালেও শেষ পর্যন্ত প্রসিকিউশনের নির্দেশে তাকে হাজির করা হয়।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা কামরুল ইসলামকে ট্রাইব্যুনালে আনার চেষ্টা করা হয়। তবে শুরুতে তিনি যেতে অস্বীকৃতি জানান বলে জানা গেছে। এতে পরিস্থিতি কিছুটা জটিল হয়ে পড়ে।

পরবর্তীতে বিষয়টি ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার ও চিফ প্রসিকিউটরের কাছে জানায় কারা কর্তৃপক্ষ। কারণ ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও তা গ্রহণযোগ্য হয়নি বলে দাবি প্রসিকিউশনের। এরপর মৌখিক নির্দেশে দ্রুত তাকে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

প্রায় দুই ঘণ্টা পর শেষ পর্যন্ত সাবেক এই মন্ত্রীকে ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। তিনি বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবেও পরিচিত।

মামলাটি ঘিরে আগেই কয়েক দফা শুনানি হয়েছে। প্রসিকিউশনের অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে বাড্ডাসহ বিভিন্ন এলাকায় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগও আনা হয়েছে।

অন্যদিকে আসামিপক্ষ দাবি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের পক্ষে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি প্রসিকিউশন, তাই অব্যাহতির আবেদন জানানো হয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চে এ মামলার পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ আদেশ দেওয়ার কথা রয়েছে।