ঢাকা ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে এবার শান্তি প্রস্তাব নিয়ে আসছে চীন  

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:০২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 63

চীন প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর বড় ঘোষণা দিলেন শি জিনপিং। চীন এখন এই শান্তি প্রক্রিয়ায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে চায়। এর আগে রাশিয়াও এই সংকট সমাধানে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছিল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে এবার সরাসরি হস্তক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে চীন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জানান যে তার দেশ শান্তি আলোচনায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে। মূলত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংলাপ ভেস্তে যাওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করলেন। এর আগে রাশিয়াও মধ্যস্থতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।

পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে সম্প্রতি ইসলামাবাদের বৈঠক ব্যর্থ হয়। এছাড়া চীনের বিরুদ্ধে ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ তুলেছে মার্কিন গণমাধ্যম। তবে বেইজিং সোমবার (১৩ এপ্রিল) এই খবরকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে যে চীন সবসময় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায়। শি জিনপিং নিশ্চিত করেছেন যে বেইজিং এই শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে। এছাড়া ইরান চুক্তির ক্ষেত্রে চীনকে ‘জামিনদার’ হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে চীন মূলত পর্দার আড়ালে থেকে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতেই বেশি আগ্রহী। ফলে বেইজিংয়ের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছে বিশ্ব।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত হওয়ায় তেলের বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। এছাড়া সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে বড় শক্তিগুলোর ভূমিকা এখন অত্যন্ত জরুরি। তবে পুতিন ও শি জিনপিংয়ের এই সক্রিয়তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হতে পারে। অন্যদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো এখনও একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মধ্যপ্রাচ্য সংকটে এবার শান্তি প্রস্তাব নিয়ে আসছে চীন  

সর্বশেষ আপডেট ০২:০২:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর বড় ঘোষণা দিলেন শি জিনপিং। চীন এখন এই শান্তি প্রক্রিয়ায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে চায়। এর আগে রাশিয়াও এই সংকট সমাধানে সহায়তার আশ্বাস দিয়েছিল। ফলে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে এখন নতুন সমীকরণ তৈরি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনা প্রশমনে এবার সরাসরি হস্তক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে চীন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জানান যে তার দেশ শান্তি আলোচনায় গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে। মূলত ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংলাপ ভেস্তে যাওয়ার পর তিনি এই মন্তব্য করলেন। এর আগে রাশিয়াও মধ্যস্থতার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল।

পারমাণবিক কর্মসূচি এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে সম্প্রতি ইসলামাবাদের বৈঠক ব্যর্থ হয়। এছাড়া চীনের বিরুদ্ধে ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ তুলেছে মার্কিন গণমাধ্যম। তবে বেইজিং সোমবার (১৩ এপ্রিল) এই খবরকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে। অন্যদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন।

রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে যে চীন সবসময় আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চায়। শি জিনপিং নিশ্চিত করেছেন যে বেইজিং এই শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখবে। এছাড়া ইরান চুক্তির ক্ষেত্রে চীনকে ‘জামিনদার’ হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। তবে চীন মূলত পর্দার আড়ালে থেকে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতেই বেশি আগ্রহী। ফলে বেইজিংয়ের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে তাকিয়ে আছে বিশ্ব।

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের মেঘ ঘনীভূত হওয়ায় তেলের বাজারে অস্থিরতা বাড়ছে। এছাড়া সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে বড় শক্তিগুলোর ভূমিকা এখন অত্যন্ত জরুরি। তবে পুতিন ও শি জিনপিংয়ের এই সক্রিয়তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ হতে পারে। অন্যদিকে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলো এখনও একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতির চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।