ঢাকা ১০:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইরান ‘শেষ হয়ে গেছে’, সমালোচকদের ট্রাম্প

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • / 162

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে সমালোচনার জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধের ফলে ইরান দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং দেশটি এখন আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষায়, “ইরান শেষ হয়ে গেছে।”

শুক্রবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একাধিক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের নৌ, বিমান ও সামরিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সমঝোতায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের ‘হতাশা’ থেকেই এসেছে।

ট্রাম্প আরও বলেন, আগামী ৬০ দিনের আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা, জব্দ করা সম্পদ ছাড়, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, এই চুক্তি অনেকটা ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের’ মতো। একই সঙ্গে তিনি চুক্তির সমালোচনাকারী রিপাবলিকান নেতাদেরও আক্রমণ করেন।

তবে সমঝোতা সইয়ের একদিন পরই আলোচনা প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত হওয়ায় পরবর্তী আলোচনার সময়সূচি পিছিয়ে গেছে। এদিকে লেবাননে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানও চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আবারও লেবাননে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে। যদিও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, লেবাননে নতুন একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

এদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো, তবে তাকে “কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়” বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরান ‘শেষ হয়ে গেছে’, সমালোচকদের ট্রাম্প

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৫:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) নিয়ে সমালোচনার জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধের ফলে ইরান দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং দেশটি এখন আলোচনায় বসতে বাধ্য হয়েছে। তার ভাষায়, “ইরান শেষ হয়ে গেছে।”

শুক্রবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া একাধিক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের নৌ, বিমান ও সামরিক সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, সমঝোতায় যাওয়ার সিদ্ধান্ত ইরানের ‘হতাশা’ থেকেই এসেছে।

ট্রাম্প আরও বলেন, আগামী ৬০ দিনের আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, হরমুজ প্রণালির ভবিষ্যৎ ব্যবস্থাপনা, জব্দ করা সম্পদ ছাড়, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হবে।

এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প দাবি করেন, এই চুক্তি অনেকটা ইরানের ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের’ মতো। একই সঙ্গে তিনি চুক্তির সমালোচনাকারী রিপাবলিকান নেতাদেরও আক্রমণ করেন।

তবে সমঝোতা সইয়ের একদিন পরই আলোচনা প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সুইজারল্যান্ড সফর স্থগিত হওয়ায় পরবর্তী আলোচনার সময়সূচি পিছিয়ে গেছে। এদিকে লেবাননে ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানও চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আবারও লেবাননে হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছে। যদিও রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, লেবাননে নতুন একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো।

এদিকে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এর সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো, তবে তাকে “কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়” বলেও মন্তব্য করেন তিনি।