ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্যাসের অভাবে ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 66

যমুনা সার কারখানা

গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই দিন উৎপাদন চালানোর পর আবারও বন্ধ হয়ে গেছে জামালপুরের যমুনা সার কারখানা। রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোর ৫টা থেকে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান মো. ফজলুল হক জানান, দীর্ঘদিন গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ থাকার পর গত ৬ অক্টোবর কারখানাটিতে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে দুই দিনের মাথায় ৮ অক্টোবর আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরে গত শুক্রবার ত্রুটি সমাধান করে উৎপাদন শুরু করা হলেও পেট্রোবাংলা ও তিতাস কর্তৃপক্ষ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় আবারও উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছে।

তিনি জানান, পুরোপুরি উৎপাদনে ফিরতে না পারলেও গত দুই দিনে কারখানাটিতে মোট ১ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে সার উৎপাদন চালু রাখতে প্রতিদিন ৪২ থেকে ৪৩ পিএসআই গ্যাসের চাপ প্রয়োজন। চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় রোববার ভোর থেকে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আবারও উৎপাদন শুরু করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস সংকট ও বিভিন্ন যান্ত্রিক জটিলতার কারণে প্রায় দুই বছর বন্ধ ছিল যমুনা সার কারখানা। কারখানাটিতে প্রতিদিন ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে যমুনা সার কারখানা জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে থাকে। ফলে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ থাকলে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে সার সরবরাহে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গ্যাসের অভাবে ফের বন্ধ যমুনা সার কারখানা

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৭:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় দুই দিন উৎপাদন চালানোর পর আবারও বন্ধ হয়ে গেছে জামালপুরের যমুনা সার কারখানা। রোববার (২৫ অক্টোবর) ভোর ৫টা থেকে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

কারখানার উৎপাদন বিভাগের প্রধান মো. ফজলুল হক জানান, দীর্ঘদিন গ্যাস সংকটের কারণে বন্ধ থাকার পর গত ৬ অক্টোবর কারখানাটিতে পুনরায় উৎপাদন শুরু হয়। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে দুই দিনের মাথায় ৮ অক্টোবর আবারও উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। পরে গত শুক্রবার ত্রুটি সমাধান করে উৎপাদন শুরু করা হলেও পেট্রোবাংলা ও তিতাস কর্তৃপক্ষ গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ায় আবারও উৎপাদন বন্ধ করতে হয়েছে।

তিনি জানান, পুরোপুরি উৎপাদনে ফিরতে না পারলেও গত দুই দিনে কারখানাটিতে মোট ১ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদন করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে সার উৎপাদন চালু রাখতে প্রতিদিন ৪২ থেকে ৪৩ পিএসআই গ্যাসের চাপ প্রয়োজন। চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহ না পাওয়ায় রোববার ভোর থেকে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে আবারও উৎপাদন শুরু করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস সংকট ও বিভিন্ন যান্ত্রিক জটিলতার কারণে প্রায় দুই বছর বন্ধ ছিল যমুনা সার কারখানা। কারখানাটিতে প্রতিদিন ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন সার উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশনের (বিসিআইসি) তালিকাভুক্ত ১ হাজার ৯০০ ডিলারের মাধ্যমে যমুনা সার কারখানা জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলসহ উত্তরবঙ্গের ২১টি জেলায় সার সরবরাহ করে থাকে। ফলে কারখানাটির উৎপাদন বন্ধ থাকলে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলোতে সার সরবরাহে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।