ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৪৭

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • / 201

ইসরায়েলি হামলার পর দক্ষিণ লেবাননে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ছবি: এএফপি

ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও শুক্রবার লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে অন্তত ৪৭ জন নিহত এবং ৯৭ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও ইরানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা এবং হিজবুল্লাহর দুটি সূত্রও।

তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও সীমান্তের ওপারে লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলা চলতে দেখা গেছে। একই দিনে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর হামলায় ইসরায়েলের চার সেনা নিহত হয়। এর জবাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী  বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহকে ‘চড়া মূল্য’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ইসরায়েলের হামলাকে ‘বিপজ্জনক ও নিন্দনীয়’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, নারী ও শিশুসহ নিরীহ মানুষের প্রাণহানি যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তবুও একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, হামলার কারণে দক্ষিণাঞ্চলের টায়ার ও বিনতে জুবাইল এলাকা থেকে ব্যাপক সংখ্যক মানুষ নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন।

গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৩ হাজার ৯১২ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ ইসরায়েলি সেনা ও চার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

যুদ্ধবিরতির মধ্যেও লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৪৭

সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৩:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও শুক্রবার লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলা ও গোলাবর্ষণে অন্তত ৪৭ জন নিহত এবং ৯৭ জন আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে।

লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার মধ্যরাত থেকে শুরু হওয়া হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সময় বিকেল ৪টা থেকে ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, যুক্তরাষ্ট্র, কাতার ও ইরানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতির বিষয়ে সমঝোতা হয়েছে। রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন এক জ্যেষ্ঠ ইসরায়েলি কর্মকর্তা এবং হিজবুল্লাহর দুটি সূত্রও।

তবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও সীমান্তের ওপারে লেবাননের বিভিন্ন এলাকায় ইসরায়েলি হামলা চলতে দেখা গেছে। একই দিনে দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর হামলায় ইসরায়েলের চার সেনা নিহত হয়। এর জবাবে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী  বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু হিজবুল্লাহকে ‘চড়া মূল্য’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন ইসরায়েলের হামলাকে ‘বিপজ্জনক ও নিন্দনীয়’ বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, নারী ও শিশুসহ নিরীহ মানুষের প্রাণহানি যুদ্ধবিরতির প্রচেষ্টাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। তবুও একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতির জন্য আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

লেবাননের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা জানায়, হামলার কারণে দক্ষিণাঞ্চলের টায়ার ও বিনতে জুবাইল এলাকা থেকে ব্যাপক সংখ্যক মানুষ নিরাপদ স্থানে সরে গেছেন।

গত ২ মার্চ থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় প্রায় ৩ হাজার ৯১২ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহর সঙ্গে চলমান সংঘাতে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩২ ইসরায়েলি সেনা ও চার বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।