ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভরা মৌসুমেও ইলিশ নেই

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / 80

প্রতীকী ছবি

ভরা মৌসুমেও নোয়াখালীর হাতিয়ার ২০টি ঘাটে দেখা দিয়েছে ইলিশের তীব্র সংকট। কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে প্রতিদিন শূন্য হাতে ফিরছেন জেলেরা। এতে জেলে, শ্রমিক, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেমে এসেছে হতাশা।

হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ, সূর্যমুখী, চেয়ারম্যানঘাট, বাংলাবাজার, মোক্তারিয়া, সুইজের ঘাটসহ বড় ২০টি ঘাট থেকে প্রায় ১০ হাজার জেলে নৌকা নদীতে মাছ ধরতে গেলেও বেশির ভাগই ফিরছে খালি হাতে। নদীতে যাওয়ার খরচ বাড়লেও আয় না থাকায় অনেক জেলে দেনায় জড়িয়ে পড়েছেন, অনেকে পরিবারের খরচও চালাতে পারছেন না।

মাছের অভাবে ঘাটে কর্মচাঞ্চল্য নেই। শ্রমিকদের আয় কমে গেছে, অনেক ব্যবসায়ী কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। ইতোমধ্যে কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং প্রায় অর্ধেক নৌকা নদীতে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

হাতিয়া সূর্যমুখী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি জবিয়ল হক বলেন, ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরতে নামলেও প্রত্যাশিত ইলিশ মিলছে না। ফলে লক্ষাধিক মানুষ আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান বলেন, জাটকা নিধন, মা ইলিশ শিকার, ডুবোচর, নদীদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশের সংকট দেখা দিয়েছে। তবে মৌসুমের পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ভরা মৌসুমেও ইলিশ নেই

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৩৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ভরা মৌসুমেও নোয়াখালীর হাতিয়ার ২০টি ঘাটে দেখা দিয়েছে ইলিশের তীব্র সংকট। কাঙ্ক্ষিত মাছ না পেয়ে প্রতিদিন শূন্য হাতে ফিরছেন জেলেরা। এতে জেলে, শ্রমিক, আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে নেমে এসেছে হতাশা।

হাতিয়ার নিঝুমদ্বীপ, সূর্যমুখী, চেয়ারম্যানঘাট, বাংলাবাজার, মোক্তারিয়া, সুইজের ঘাটসহ বড় ২০টি ঘাট থেকে প্রায় ১০ হাজার জেলে নৌকা নদীতে মাছ ধরতে গেলেও বেশির ভাগই ফিরছে খালি হাতে। নদীতে যাওয়ার খরচ বাড়লেও আয় না থাকায় অনেক জেলে দেনায় জড়িয়ে পড়েছেন, অনেকে পরিবারের খরচও চালাতে পারছেন না।

মাছের অভাবে ঘাটে কর্মচাঞ্চল্য নেই। শ্রমিকদের আয় কমে গেছে, অনেক ব্যবসায়ী কর্মচারীদের বেতন দিতে হিমশিম খাচ্ছেন। ইতোমধ্যে কিছু ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং প্রায় অর্ধেক নৌকা নদীতে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে।

হাতিয়া সূর্যমুখী মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি জবিয়ল হক বলেন, ৫৮ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে মাছ ধরতে নামলেও প্রত্যাশিত ইলিশ মিলছে না। ফলে লক্ষাধিক মানুষ আর্থিক সংকটে পড়েছেন।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফয়জুর রহমান বলেন, জাটকা নিধন, মা ইলিশ শিকার, ডুবোচর, নদীদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ইলিশের সংকট দেখা দিয়েছে। তবে মৌসুমের পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।