নতুন পে স্কেল অনিশ্চয়তায় সরকারি কর্মচারীদের হতাশা
- সর্বশেষ আপডেট ১০:৫৯:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
- / 117
নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্ট সংগঠনের নেতারা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো স্পষ্ট ঘোষণা না আসায় পরিস্থিতি আরও ধোঁয়াশাপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক জানিয়েছেন, পে স্কেল নিয়ে কর্মচারীদের মধ্যে গভীর হতাশা তৈরি হয়েছে। তার মতে, সরকার পরিবর্তনের পর থেকে শুধু আলোচনাই শোনা যাচ্ছে, কিন্তু বাস্তব অগ্রগতির কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। বিশেষ করে অর্থ মন্ত্রণালয় বা নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না আসায় সংশয় আরও বেড়েছে।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, নতুন বেতন কাঠামোতে কর্মীরা ৫০ শতাংশ সুবিধা পাবেন নাকি ১০০ শতাংশ—এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা নেই। এই অনিশ্চয়তা কর্মক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলছে বলে তিনি দাবি করেন।
আবদুল মালেকের মতে, বাজেট ঘোষণার আগেই সরকারের পক্ষ থেকে একটি আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানানো হলে কর্মচারীদের মধ্যে যে চাপ ও হতাশা তৈরি হয়েছে তা অনেকটাই কমে যেত। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সরকার বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে বাস্তবায়নের দিকে এগোবে।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১১ বছর পর পে স্কেল একাধিক ধাপে না দিয়ে একবারেই কার্যকর করা উচিত। তার যুক্তি, এতে বাজারে অতিরিক্ত দামের চাপ বা সুযোগ কমবে এবং কর্মচারীরা তুলনামূলকভাবে উপকৃত হবেন।
তার মতে, উন্নয়ন বাজেট প্রতিবছর হলেও পে স্কেল সাধারণত দীর্ঘ ব্যবধানে আসে, তাই এটি একবারে বাস্তবায়ন করা বেশি কার্যকর হতে পারে। প্রয়োজনে অন্য খাত থেকে সমন্বয় করে বরাদ্দ বাড়ানো গেলে সরকারের প্রতি আস্থা আরও বাড়বে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।






























