ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

তরুণ ও প্রবীণ প্রজন্মের মধ্যে নেটওয়ার্কিং গড়ে তোলার আহ্বান

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 45

তরুণ ও প্রবীণ প্রজন্মের মধ্যে নেটওয়ার্কিং গড়ে তোলার আহ্বান

জনজীবনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ, প্রজন্মের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে তরুণ ও প্রবীণ প্রজন্মের মধ্যে কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বক্তারা।

রোববার (৩০ আগস্ট) নারীপক্ষের ‘জনজীবনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত আন্তঃপ্রজন্ম সংলাপ ও কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় তরুণ ও প্রবীণ প্রজন্মের নারীরা নিজেদের জীবন-অভিজ্ঞতা, প্রজন্মান্তরে মিল-অমিল, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলার কৌশল এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি দুই প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধন, সংযোগ, সংহতি ও যৌথ অঙ্গীকার তৈরির বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নারীপক্ষের সভানেত্রী কে এ জাহান রুমী। প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন নারীপক্ষের সদস্য মাহিন খান ও ওয়ারদা আশরাফ।

কে এ জাহান রুমী বলেন, জনপরিসরে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ করাই নারীপক্ষের অন্যতম লক্ষ্য। নারীর প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক অধিকার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সংগঠনটি কাজ করছে। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বীরাঙ্গনাদের উন্নয়নেও দেশব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারি মুক্তিযোদ্ধা ভাতার আওতায় আসতে পারেননি; এমন নারীদেরও নারীপক্ষ সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে।

মাহিন খান বলেন, তরুণ ও পূর্ববর্তী প্রজন্মের নারীদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল, নেতৃত্বের যাত্রা এবং জনজীবনে সম্পৃক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া জরুরি। এ ধরনের যোগাযোগ দুই প্রজন্মের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করবে।

ওয়ারদা আশরাফ বলেন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মানুষের চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি ও অভিজ্ঞতায় পরিবর্তন আসে। একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মাধ্যমে দুই প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।

বক্তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হতাশা ও অবসাদকে প্রাধান্য না দিয়ে তাদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির কারণে বর্তমান প্রজন্মের সামনে বিশ্বকে জানার ও নতুন কিছু করার সুযোগ অনেক বেশি। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তরুণদের ইতিবাচকভাবে সমাজ ও রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব বেছে নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেন বক্তারা।

আলোচনায় অংশ নেন নারীপক্ষের সদস্য গীতা দাস, সবুজের অভিযানের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা বেগম, মানবাধিকার কর্মী জাকিয়া শিশির, ফুলকির শাহানা বেগম, জাতীয় পার্টির বহ্নি ব্যাপারী, টাঙ্গাইলের জেবা আক্তার, নারীপক্ষের সহকারী ম্যানেজার আসমা শবনম এবং প্রকল্প কর্মকর্তা রিফাহ্ তামান্না প্রথাসহ অনেকে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তরুণ ও প্রবীণ প্রজন্মের মধ্যে নেটওয়ার্কিং গড়ে তোলার আহ্বান

সর্বশেষ আপডেট ০৯:০৩:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬

জনজীবনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ, প্রজন্মের অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং সামাজিক-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ বাড়াতে তরুণ ও প্রবীণ প্রজন্মের মধ্যে কার্যকর নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন বক্তারা।

রোববার (৩০ আগস্ট) নারীপক্ষের ‘জনজীবনে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ’ প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত আন্তঃপ্রজন্ম সংলাপ ও কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

কর্মশালায় তরুণ ও প্রবীণ প্রজন্মের নারীরা নিজেদের জীবন-অভিজ্ঞতা, প্রজন্মান্তরে মিল-অমিল, বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা মোকাবিলার কৌশল এবং পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি দুই প্রজন্মের মধ্যে সেতুবন্ধন, সংযোগ, সংহতি ও যৌথ অঙ্গীকার তৈরির বিষয়েও মতবিনিময় হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন নারীপক্ষের সভানেত্রী কে এ জাহান রুমী। প্যানেল আলোচনা সঞ্চালনা করেন নারীপক্ষের সদস্য মাহিন খান ও ওয়ারদা আশরাফ।

কে এ জাহান রুমী বলেন, জনপরিসরে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ করাই নারীপক্ষের অন্যতম লক্ষ্য। নারীর প্রতি সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি, স্বাস্থ্য, অর্থনৈতিক অধিকার ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণের মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়ে সংগঠনটি কাজ করছে। এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধের বীরাঙ্গনাদের উন্নয়নেও দেশব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। সরকারি মুক্তিযোদ্ধা ভাতার আওতায় আসতে পারেননি; এমন নারীদেরও নারীপক্ষ সামর্থ্য অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা দিয়ে থাকে।

মাহিন খান বলেন, তরুণ ও পূর্ববর্তী প্রজন্মের নারীদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কৌশল, নেতৃত্বের যাত্রা এবং জনজীবনে সম্পৃক্ত হওয়ার অভিজ্ঞতা একে অপরের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া জরুরি। এ ধরনের যোগাযোগ দুই প্রজন্মের মধ্যে সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করবে।

ওয়ারদা আশরাফ বলেন, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে মানুষের চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি ও অভিজ্ঞতায় পরিবর্তন আসে। একে অপরের অভিজ্ঞতা থেকে শেখার মাধ্যমে দুই প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতার পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব।

বক্তারা বলেন, তরুণ প্রজন্মের মধ্যে হতাশা ও অবসাদকে প্রাধান্য না দিয়ে তাদের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে হবে। প্রযুক্তির কারণে বর্তমান প্রজন্মের সামনে বিশ্বকে জানার ও নতুন কিছু করার সুযোগ অনেক বেশি। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তরুণদের ইতিবাচকভাবে সমাজ ও রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে যোগ্য ও সৎ নেতৃত্ব বেছে নিয়ে রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেন বক্তারা।

আলোচনায় অংশ নেন নারীপক্ষের সদস্য গীতা দাস, সবুজের অভিযানের নির্বাহী পরিচালক মাহমুদা বেগম, মানবাধিকার কর্মী জাকিয়া শিশির, ফুলকির শাহানা বেগম, জাতীয় পার্টির বহ্নি ব্যাপারী, টাঙ্গাইলের জেবা আক্তার, নারীপক্ষের সহকারী ম্যানেজার আসমা শবনম এবং প্রকল্প কর্মকর্তা রিফাহ্ তামান্না প্রথাসহ অনেকে।