ঢাকা ১১:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সিডও শ্যাডো রিপোর্ট চূড়ান্তে নাগরিক সমাজের মতামত

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:৩০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 24

সিডও শ্যাডো রিপোর্ট চূড়ান্তে নাগরিক সমাজের মতামত

সিডও শ্যাডো রিপোর্টের খসড়া পর্যালোচনা করে তা চূড়ান্ত করার বিষয়ে মতামত দিয়েছে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করে আগামী ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতিসংঘের সিডও কমিটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আনোয়ারা বেগম মুনিরা খান মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের প্ল্যাটফর্ম ‘সিটিজেনস ইনিশিয়েটিভস অন সিডও, বাংলাদেশ (সিআইসি-বিডি)’ আয়োজিত ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কর্মসূচির শুরুতে স্টেপসের নির্বাহী পরিচালক ও সিআইসি-বিডি প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ক প্রয়াত রঞ্জন কর্মকারের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক প্রস্তাব পাঠ করা হয়। পরে তার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। সকলের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা সিডও শ্যাডো রিপোর্টের খসড়া উপস্থাপন করেন জেন্ডার বিশেষজ্ঞ ফেরদৌসী সুলতানা বেগম।

খসড়া উপস্থাপনের পর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। আলোচনায় নারী অধিকার, জেন্ডার সমতা, আইন ও নীতিমালা বাস্তবায়নসহ সিডও সনদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

আলোচনায় অংশ নেন উইমেন ফর উইমেনের সভাপতি জাকিয়া কে. হাসান, ওয়ার্ল্ড ভিশনের স্ট্রেলা রুপা, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সালমা আলী, জাতিসংঘ সিডও কমিটির সাবেক সদস্য ফেরদৌস আরা বেগম, প্রাগ্রসরের ফওজিয়া খন্দকার, নারীপক্ষের কামরুন নাহার, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নাসরিন বেগম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের শারমিন আক্তার এবং ডেমোক্রেসি-ওয়াচের সানজিদা দীপ্তিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

এ ছাড়া বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি (এফপিএবি), গণসাক্ষরতা অভিযান, স্টেপ টুওয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট, বি-স্ক্যান, আইডি ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিনিধিরাও আলোচনায় অংশ নেন। মুক্ত আলোচনা শেষে বক্তব্য দেন ইউএন উইমেনের তপতী সাহা।

সভায় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের দেওয়া মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে সিডও শ্যাডো রিপোর্টের খসড়া চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি আগামী ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতিসংঘের সিডও কমিটির কাছে পাঠানো হবে।

ওয়ার্কশপে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ, ওয়াইডব্লিউসিএ অব বাংলাদেশ, দীপ্ত ফাউন্ডেশন, এএলআরডি, বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্র, কর্মজীবী নারী, জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম ও বাউশিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেত্রী ও কর্মকর্তাসহ কর্মশালায় প্রায় ৫২ জন অংশ নেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সিডও শ্যাডো রিপোর্ট চূড়ান্তে নাগরিক সমাজের মতামত

সর্বশেষ আপডেট ০২:৩০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

সিডও শ্যাডো রিপোর্টের খসড়া পর্যালোচনা করে তা চূড়ান্ত করার বিষয়ে মতামত দিয়েছে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করে আগামী ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতিসংঘের সিডও কমিটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের আনোয়ারা বেগম মুনিরা খান মিলনায়তনে নাগরিক সমাজের প্ল্যাটফর্ম ‘সিটিজেনস ইনিশিয়েটিভস অন সিডও, বাংলাদেশ (সিআইসি-বিডি)’ আয়োজিত ভ্যালিডেশন ওয়ার্কশপে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

কর্মসূচির শুরুতে স্টেপসের নির্বাহী পরিচালক ও সিআইসি-বিডি প্ল্যাটফর্মের সমন্বয়ক প্রয়াত রঞ্জন কর্মকারের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে শোক প্রস্তাব পাঠ করা হয়। পরে তার স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। সকলের মতামতের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা সিডও শ্যাডো রিপোর্টের খসড়া উপস্থাপন করেন জেন্ডার বিশেষজ্ঞ ফেরদৌসী সুলতানা বেগম।

খসড়া উপস্থাপনের পর নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। আলোচনায় নারী অধিকার, জেন্ডার সমতা, আইন ও নীতিমালা বাস্তবায়নসহ সিডও সনদের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়।

আলোচনায় অংশ নেন উইমেন ফর উইমেনের সভাপতি জাকিয়া কে. হাসান, ওয়ার্ল্ড ভিশনের স্ট্রেলা রুপা, বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা আইনজীবী সমিতির উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট সালমা আলী, জাতিসংঘ সিডও কমিটির সাবেক সদস্য ফেরদৌস আরা বেগম, প্রাগ্রসরের ফওজিয়া খন্দকার, নারীপক্ষের কামরুন নাহার, বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘের নাসরিন বেগম, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের শারমিন আক্তার এবং ডেমোক্রেসি-ওয়াচের সানজিদা দীপ্তিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

এ ছাড়া বাংলাদেশ পরিবার পরিকল্পনা সমিতি (এফপিএবি), গণসাক্ষরতা অভিযান, স্টেপ টুওয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট, বি-স্ক্যান, আইডি ও বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের প্রতিনিধিরাও আলোচনায় অংশ নেন। মুক্ত আলোচনা শেষে বক্তব্য দেন ইউএন উইমেনের তপতী সাহা।

সভায় নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের দেওয়া মতামত ও সুপারিশের ভিত্তিতে সিডও শ্যাডো রিপোর্টের খসড়া চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি আগামী ৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে জাতিসংঘের সিডও কমিটির কাছে পাঠানো হবে।

ওয়ার্কশপে অ্যাকশনএইড বাংলাদেশ, ওয়াইডব্লিউসিএ অব বাংলাদেশ, দীপ্ত ফাউন্ডেশন, এএলআরডি, বাংলাদেশ নারী শ্রমিক কেন্দ্র, কর্মজীবী নারী, জাতীয় কন্যাশিশু অ্যাডভোকেসি ফোরাম ও বাউশিসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেত্রী ও কর্মকর্তাসহ কর্মশালায় প্রায় ৫২ জন অংশ নেন।