ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংসদে রুমিন ফারহানা

‘টুকু আসে, টুকু যায়, কতক্ষণ থাকে বোঝা যায় না’

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / 5

সংসদে রুমিন ফারহানা

জ্বালানি সংকট, লোডশেডিং, দ্রব্যমূল্য ও কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে সরকারের সমালোচনা করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের সংকট তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দুষ্টু লোকে বলে, ভালো লোকে বলে না; টুকু আসে, টুকু যায়। এই আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।’

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, তেলের দাম বাড়ছে, বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের দুর্ভোগ রয়েছে এবং পর্যাপ্ত গ্যাসও পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ নির্বাচনের সময় সরকার এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

সরকার ক্ষমতায় আসার ছয় মাসের মধ্যে ৬২ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন এবং ৯০০টির বেশি কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। রুমিন বলেন, “নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে? যারা চাকরি করছেন, তাদের চাকরি কতদিন থাকবে, আল্লাহ জানে।”

সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা ছিল গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। এসব ক্ষেত্রে সরকারের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, কখনো ব্যঙ্গ, আবার কখনো ‘বাকচাতুর্য’র মাধ্যমে পরিস্থিতি আড়াল করার চেষ্টা করা হয়। তবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললেই দেশের আইনশৃঙ্খলার প্রকৃত চিত্র বোঝা যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজারে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। কয়েক দফায় ডিমের দাম বেড়েছে এবং চালের দামও ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষ করে মিনিকেট চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।

একই সঙ্গে টিসিবির পণ্য কিনতে মানুষের দীর্ঘ সারির বিষয়টিও সংসদে তুলে ধরেন তিনি। তার বক্তব্যে জ্বালানি, কর্মসংস্থান ও নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বর্তমান বাস্তবতার পার্থক্য রয়েছে বলে অভিযোগ করেন এই সংসদ সদস্য।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সংসদে রুমিন ফারহানা

‘টুকু আসে, টুকু যায়, কতক্ষণ থাকে বোঝা যায় না’

সর্বশেষ আপডেট ০৯:২৭:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

জ্বালানি সংকট, লোডশেডিং, দ্রব্যমূল্য ও কর্মসংস্থান পরিস্থিতি নিয়ে সংসদে সরকারের সমালোচনা করেছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের সংকট তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দুষ্টু লোকে বলে, ভালো লোকে বলে না; টুকু আসে, টুকু যায়। এই আসে, এই যায়। কতক্ষণ থাকে তারা নাকি বুঝতে পারে না।’

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে ৭১ বিধিতে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

জ্বালানি সংকটের প্রসঙ্গ তুলে রুমিন ফারহানা বলেন, তেলের দাম বাড়ছে, বিদ্যুৎ নিয়ে মানুষের দুর্ভোগ রয়েছে এবং পর্যাপ্ত গ্যাসও পাওয়া যাচ্ছে না। অথচ নির্বাচনের সময় সরকার এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।

সরকার ক্ষমতায় আসার ছয় মাসের মধ্যে ৬২ হাজার মানুষ চাকরি হারিয়েছেন এবং ৯০০টির বেশি কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে বলে দাবি করেন তিনি। রুমিন বলেন, “নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে? যারা চাকরি করছেন, তাদের চাকরি কতদিন থাকবে, আল্লাহ জানে।”

সরকারের ঘোষিত ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা ছিল গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গীকার। এসব ক্ষেত্রে সরকারের কার্যক্রম নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের সমালোচনা করে রুমিন ফারহানা বলেন, কখনো ব্যঙ্গ, আবার কখনো ‘বাকচাতুর্য’র মাধ্যমে পরিস্থিতি আড়াল করার চেষ্টা করা হয়। তবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললেই দেশের আইনশৃঙ্খলার প্রকৃত চিত্র বোঝা যায় বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দ্রব্যমূল্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজারে ৮০ টাকার নিচে কোনো সবজি পাওয়া যাচ্ছে না। কয়েক দফায় ডিমের দাম বেড়েছে এবং চালের দামও ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষ করে মিনিকেট চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় মানুষের ভোগান্তি বাড়ছে।

একই সঙ্গে টিসিবির পণ্য কিনতে মানুষের দীর্ঘ সারির বিষয়টিও সংসদে তুলে ধরেন তিনি। তার বক্তব্যে জ্বালানি, কর্মসংস্থান ও নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে সরকারের প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বর্তমান বাস্তবতার পার্থক্য রয়েছে বলে অভিযোগ করেন এই সংসদ সদস্য।