ঢাকা ০২:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জুলাই সনদ ও গণভোট বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • / 104

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—এ প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন; সেই ধার্য তারিখেই রুল জারি করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, পৃথক দুটি রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিল এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথকে অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম রিট দুটি দায়ের করেন।

এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে তা বাতিল এবং কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আরও একটি রিট করা হয়।

জনস্বার্থে করা ওই রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

রুলের মাধ্যমে এখন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে হবে।

পরবর্তী শুনানিতে আদালত এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জুলাই সনদ ও গণভোট বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৫০:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

জুলাই জাতীয় সনদ ও গণভোট অধ্যাদেশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—এ প্রশ্নে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি মো. আনোয়ারুল ইসলাম শাহীনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ, গণভোট অধ্যাদেশ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্যদের শপথের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিটের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে আদালত আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছিলেন; সেই ধার্য তারিখেই রুল জারি করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, পৃথক দুটি রিটে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ বাতিল এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথকে অবৈধ ঘোষণার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে গণভোট অধ্যাদেশের বৈধতাও প্রশ্নবিদ্ধ করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৌধুরী রেদোয়ান-ই খোদা রনি ও অ্যাডভোকেট গাজী মো. মাহবুব আলম রিট দুটি দায়ের করেন।

এর আগে ১৮ ফেব্রুয়ারি জুলাই জাতীয় সনদকে সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক উল্লেখ করে তা বাতিল এবং কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে আরও একটি রিট করা হয়।

জনস্বার্থে করা ওই রিটটি দায়ের করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ।

রুলের মাধ্যমে এখন সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে হবে।

পরবর্তী শুনানিতে আদালত এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবেন।