ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কোচিং সেন্টার বন্ধে সরাসরি এখতিয়ার নেই: শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
  • / 150

কোচিং সেন্টার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নয় উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মানসম্মত শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে একসময় কোচিংয়ের প্রয়োজনীয়তা নিজ থেকেই কমে যাবে।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোচিং সেন্টার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোচিং সেন্টার মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত বা অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান নয়। ফলে সেগুলো সরাসরি বন্ধ করার এখতিয়ারও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেই।

মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা মূলত শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত ও কার্যকর পাঠদান না পাওয়ার কারণেই কোচিংমুখী হয়ে পড়ছে। স্কুল-কলেজে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে এবং পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রমের দীর্ঘ বিরতি কমানো সম্ভব হলে কোচিং নির্ভরতা অনেকটাই হ্রাস পাবে।

ড. মিলন বলেন, “কোচিং সেন্টার তখনই কমে যাবে, যখন শিক্ষার্থীরা মনে করবে শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনাই যথেষ্ট।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কোচিং সেন্টার বন্ধে সরাসরি এখতিয়ার নেই: শিক্ষামন্ত্রী

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৩৯:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

কোচিং সেন্টার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান নয় উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, মানসম্মত শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে একসময় কোচিংয়ের প্রয়োজনীয়তা নিজ থেকেই কমে যাবে।

সচিবালয়ে বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কোচিং সেন্টার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

তিনি বলেন, কোচিং সেন্টার মন্ত্রণালয়ের স্বীকৃত বা অধিভুক্ত প্রতিষ্ঠান নয়। ফলে সেগুলো সরাসরি বন্ধ করার এখতিয়ারও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নেই।

মন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা মূলত শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত ও কার্যকর পাঠদান না পাওয়ার কারণেই কোচিংমুখী হয়ে পড়ছে। স্কুল-কলেজে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা গেলে এবং পরীক্ষা ও ভর্তি কার্যক্রমের দীর্ঘ বিরতি কমানো সম্ভব হলে কোচিং নির্ভরতা অনেকটাই হ্রাস পাবে।

ড. মিলন বলেন, “কোচিং সেন্টার তখনই কমে যাবে, যখন শিক্ষার্থীরা মনে করবে শ্রেণিকক্ষের পড়াশোনাই যথেষ্ট।”